১৯৭৬ সালে রেকর্ড করা বাংলা গানের ক্লাসিক ‘আয় খুকু আয়’ আজও দুই বাংলার শ্রোতাদের হৃদয়ে আবেগ ও নস্টালজিয়ার জায়গা করে রেখেছে। এই গানের শিশু কণ্ঠে আবেগজড়ানো মূল কণ্ঠশিল্পী শ্রাবন্তী মজুমদার, যিনি গানটির মাধ্যমে অমর হয়ে যান, আজও বাংলা সংগীতের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত আছেন।
গানটি লিখেছিলেন গীতিকার পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুর করেছিলেন ভি. বালসারা। শ্রাবন্তী মজুমদার ও কিংবদন্তি সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায় মিলিয়ে গানটি রেকর্ড করেন। গানটি মূলত একটি বাবার ও তার ছোট মেয়ের মমতার সম্পর্ককে আবেগঘনভাবে ফুটিয়ে তোলে। প্রথমদিকে এটি তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি, কিন্তু ধীরে ধীরে শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়। পরে বাংলাদেশে দ্য ফাদার চলচ্চিত্রে গানটি ব্যবহৃত হওয়ার পর বাংলার দর্শকরা গানটির গভীরতা উপলব্ধি করেন।
৫০ বছর পরও শ্রাবন্তী মজুমদার বাংলা সংগীতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি আইল অব ম্যান‑এ স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন, যা ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের মাঝের আইরিশ সাগরের একটি ছোট দ্বীপ। আইল অব ম্যান‑এ থাকলেও তিনি বাংলা ভাষা ও সংগীতকে ছেড়ে দেননি। তিনি বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শ্রোতাদের সঙ্গে সংযোগ রাখেন এবং বাংলা সংগীতের নতুন প্রজন্মের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন।
শ্রাবন্তী জানিয়েছেন, ‘আয় খুকু আয়’ গানটি তাঁর জীবনের বিশেষ অংশ, যা ব্যক্তিগত স্মৃতি ও আবেগের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। গানটি মানুষের হৃদয়ে আবেগ জাগায় এবং শ্রোতাদের কাছে নস্টালজিয়ার চিহ্ন হিসেবে রয়ে গেছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, বিদেশে থাকলেও বাংলা সংস্কৃতি ও সংগীত তাঁর জীবনের অঙ্গ এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ফিরে এসে গানের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।
শ্রাবন্তী মজুমদার আজও বাংলা সংগীতের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থেকে তার শিল্পী জীবনের এবং সংস্কৃতির প্রতি প্রেমকে জীবন্ত রেখেছেন। ‘আয় খুকু আয়’ গানটি এখনও শ্রোতাদের মধ্যে আবেগ ও স্মৃতির ঝর্ণাধারা জাগিয়ে তোলে এবং তাঁর উপস্থিতি বাঙালি সংগীতপ্রেমীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
১৯৭৬ সালে রেকর্ড করা বাংলা গানের ক্লাসিক ‘আয় খুকু আয়’ আজও দুই বাংলার শ্রোতাদের হৃদয়ে আবেগ ও নস্টালজিয়ার জায়গা করে রেখেছে। এই গানের শিশু কণ্ঠে আবেগজড়ানো মূল কণ্ঠশিল্পী শ্রাবন্তী মজুমদার, যিনি গানটির মাধ্যমে অমর হয়ে যান, আজও বাংলা সংগীতের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত আছেন।
গানটি লিখেছিলেন গীতিকার পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুর করেছিলেন ভি. বালসারা। শ্রাবন্তী মজুমদার ও কিংবদন্তি সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায় মিলিয়ে গানটি রেকর্ড করেন। গানটি মূলত একটি বাবার ও তার ছোট মেয়ের মমতার সম্পর্ককে আবেগঘনভাবে ফুটিয়ে তোলে। প্রথমদিকে এটি তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি, কিন্তু ধীরে ধীরে শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়। পরে বাংলাদেশে দ্য ফাদার চলচ্চিত্রে গানটি ব্যবহৃত হওয়ার পর বাংলার দর্শকরা গানটির গভীরতা উপলব্ধি করেন।
৫০ বছর পরও শ্রাবন্তী মজুমদার বাংলা সংগীতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি আইল অব ম্যান‑এ স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন, যা ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের মাঝের আইরিশ সাগরের একটি ছোট দ্বীপ। আইল অব ম্যান‑এ থাকলেও তিনি বাংলা ভাষা ও সংগীতকে ছেড়ে দেননি। তিনি বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শ্রোতাদের সঙ্গে সংযোগ রাখেন এবং বাংলা সংগীতের নতুন প্রজন্মের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন।
শ্রাবন্তী জানিয়েছেন, ‘আয় খুকু আয়’ গানটি তাঁর জীবনের বিশেষ অংশ, যা ব্যক্তিগত স্মৃতি ও আবেগের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। গানটি মানুষের হৃদয়ে আবেগ জাগায় এবং শ্রোতাদের কাছে নস্টালজিয়ার চিহ্ন হিসেবে রয়ে গেছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, বিদেশে থাকলেও বাংলা সংস্কৃতি ও সংগীত তাঁর জীবনের অঙ্গ এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ফিরে এসে গানের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।
শ্রাবন্তী মজুমদার আজও বাংলা সংগীতের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থেকে তার শিল্পী জীবনের এবং সংস্কৃতির প্রতি প্রেমকে জীবন্ত রেখেছেন। ‘আয় খুকু আয়’ গানটি এখনও শ্রোতাদের মধ্যে আবেগ ও স্মৃতির ঝর্ণাধারা জাগিয়ে তোলে এবং তাঁর উপস্থিতি বাঙালি সংগীতপ্রেমীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন