রাজধানীর গুলশান ১৯৬ নম্বর সড়কে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসভবনের সামনে থেকে দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ ও চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (CSF)। ৪ জানুয়ারি ২০২৬, রোববার সকাল ১০:৫০ মিনিটে এই ঘটনাটি ঘটে। সন্দেহজনক আচরণ নজরে আসায় নিরাপত্তা বাহিনী তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক করে।
আটকদের মধ্যে প্রথমজন মো. রুহুল আমিন (৪৬)। তিনি তারেক রহমানের বাসভবন ও আশপাশের গাড়ির ছবি তুলছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাঁকে প্রথমে CSF সদস্যরা আটক করেন, পরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। তাঁর মোবাইল ফোনে পাওয়া কিছু ছবি পুলিশ যাচাই করছে।
দ্বিতীয়জন মো. ওমর ফারুক, যাকে কয়েক মিনিট পর একই এলাকা থেকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, তাঁর দেহ তল্লাশি করে দুই পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর পরিচয়, উদ্দেশ্য এবং এলাকায় উপস্থিতির কারণ তদন্ত করা হচ্ছে। যদিও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম আরও একজনকে আটক করার কথা উল্লেখ করেছে, গুলশান থানা নিশ্চিত করেছে—প্রাথমিকভাবে দুইজনকেই আটক দেখানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক উত্তাপ ও সাম্প্রতিক নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে গুলশানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তারেক রহমানের বাসভবনের আশপাশে সবসময়ই নিরাপত্তা কঠোর থাকে, তবে ৪ জানুয়ারির ঘটনায় তা আরও জোরদার করা হয়। সন্দেহভাজন কোনো নড়াচড়া দেখলেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
গুলশান থানার একটি সূত্র জানিয়েছে, আটক দুজনের পরিচয়, ছবি তোলার উদ্দেশ্য, মাদকদ্রব্যের উৎস এবং সম্ভাব্য সংযোগ সবকিছুই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনাটি এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে উদ্বেগজনক মনে করলেও অন্যরা বলছেন—রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এমন নিরাপত্তা তৎপরতা স্বাভাবিক। তবে কিছু সংবাদমাধ্যম মনে করছে, এ ঘটনাটি তারেক রহমানের বাসভবনের নিরাপত্তাকে নতুনভাবে আলোচনায় এনেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর গুলশান ১৯৬ নম্বর সড়কে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসভবনের সামনে থেকে দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ ও চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (CSF)। ৪ জানুয়ারি ২০২৬, রোববার সকাল ১০:৫০ মিনিটে এই ঘটনাটি ঘটে। সন্দেহজনক আচরণ নজরে আসায় নিরাপত্তা বাহিনী তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক করে।
আটকদের মধ্যে প্রথমজন মো. রুহুল আমিন (৪৬)। তিনি তারেক রহমানের বাসভবন ও আশপাশের গাড়ির ছবি তুলছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাঁকে প্রথমে CSF সদস্যরা আটক করেন, পরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। তাঁর মোবাইল ফোনে পাওয়া কিছু ছবি পুলিশ যাচাই করছে।
দ্বিতীয়জন মো. ওমর ফারুক, যাকে কয়েক মিনিট পর একই এলাকা থেকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, তাঁর দেহ তল্লাশি করে দুই পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর পরিচয়, উদ্দেশ্য এবং এলাকায় উপস্থিতির কারণ তদন্ত করা হচ্ছে। যদিও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম আরও একজনকে আটক করার কথা উল্লেখ করেছে, গুলশান থানা নিশ্চিত করেছে—প্রাথমিকভাবে দুইজনকেই আটক দেখানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক উত্তাপ ও সাম্প্রতিক নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে গুলশানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তারেক রহমানের বাসভবনের আশপাশে সবসময়ই নিরাপত্তা কঠোর থাকে, তবে ৪ জানুয়ারির ঘটনায় তা আরও জোরদার করা হয়। সন্দেহভাজন কোনো নড়াচড়া দেখলেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
গুলশান থানার একটি সূত্র জানিয়েছে, আটক দুজনের পরিচয়, ছবি তোলার উদ্দেশ্য, মাদকদ্রব্যের উৎস এবং সম্ভাব্য সংযোগ সবকিছুই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনাটি এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি করেছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে উদ্বেগজনক মনে করলেও অন্যরা বলছেন—রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এমন নিরাপত্তা তৎপরতা স্বাভাবিক। তবে কিছু সংবাদমাধ্যম মনে করছে, এ ঘটনাটি তারেক রহমানের বাসভবনের নিরাপত্তাকে নতুনভাবে আলোচনায় এনেছে।

আপনার মতামত লিখুন