দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর বিএনপি (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সরাসরি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন—
“আসুন দেশটাকে নতুন করে গড়ে তুলি।”
বিকেল প্রায় ৪টা নাগাদ গুলশান এভিনিউয়ের বাসভবন থেকে রওনা হয়ে তিনি নয়াপল্টনে পৌঁছালে ইতোমধ্যেই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আশেপাশে নেতা-কর্মীদের ভিড় গড়ে উঠতে শুরু করে। তার উপস্থিতি ঘিরে নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বাসপূর্ণ স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন,
“আমাদের যার যতটুকু অবস্থান আছে, সেখান থেকে আসুন আমরা আমাদের দেশটাকে নতুন করে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। যার পক্ষে যতটুকু সম্ভব সচেষ্ট হই।”
তিনি আরও বলেন, যেখানে রাস্তায় একটুকরা কাগজ পড়ে আছে বা ময়লা জমে আছে, সেসব সরানোসহ ছোট-ছোট কাজের মাধ্যমে দেশকে সুন্দর করে গড়ে তোলা সম্ভব—এভাবেই সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব হবে।
তারেক রহমান সরাসরি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা না করে বলেন, আজ তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নেই; তবে ভবিষ্যতে নির্ধারিত কর্মসূচিতে বিস্তারিত বক্তব্য দেবেন। তিনি নেতাকর্মীদেরকে বলেন, “সবাই ভালো থাকবেন।”
এসময় বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ—স্থায়ী কমিটির শীর্ষ নেতাসহ—তারেকের সঙ্গে ছিলেন এবং তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।”কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশের সময় নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের জন্য পুনরায় স্লোগান দেন এবং তাকে ঘিরে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই আহ্বান শুধু দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশেই নয়—বরং সমগ্র নাগরিক সমাজকে দেশের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে অংশগ্রহণ করার প্রেরণা দেয়, যা সামনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি’র দৃঢ় ভূমিকা প্রদর্শনের ইঙ্গিত হিসেবেও ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
তারেক রহমান আজ দীর্ঘ সময় পরে নয়াপল্টনে উপস্থিত হয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দেশ গড়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যেখানে যার অবস্থান আছে, সেখান থেকেই চেষ্টা করে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে, ছোট-ছোট কাজের মাধ্যমেও দারুণ পরিবর্তন সম্ভব।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর বিএনপি (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সরাসরি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন—
“আসুন দেশটাকে নতুন করে গড়ে তুলি।”
বিকেল প্রায় ৪টা নাগাদ গুলশান এভিনিউয়ের বাসভবন থেকে রওনা হয়ে তিনি নয়াপল্টনে পৌঁছালে ইতোমধ্যেই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আশেপাশে নেতা-কর্মীদের ভিড় গড়ে উঠতে শুরু করে। তার উপস্থিতি ঘিরে নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বাসপূর্ণ স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন,
“আমাদের যার যতটুকু অবস্থান আছে, সেখান থেকে আসুন আমরা আমাদের দেশটাকে নতুন করে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। যার পক্ষে যতটুকু সম্ভব সচেষ্ট হই।”
তিনি আরও বলেন, যেখানে রাস্তায় একটুকরা কাগজ পড়ে আছে বা ময়লা জমে আছে, সেসব সরানোসহ ছোট-ছোট কাজের মাধ্যমে দেশকে সুন্দর করে গড়ে তোলা সম্ভব—এভাবেই সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব হবে।
তারেক রহমান সরাসরি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা না করে বলেন, আজ তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নেই; তবে ভবিষ্যতে নির্ধারিত কর্মসূচিতে বিস্তারিত বক্তব্য দেবেন। তিনি নেতাকর্মীদেরকে বলেন, “সবাই ভালো থাকবেন।”
এসময় বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ—স্থায়ী কমিটির শীর্ষ নেতাসহ—তারেকের সঙ্গে ছিলেন এবং তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।”কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশের সময় নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের জন্য পুনরায় স্লোগান দেন এবং তাকে ঘিরে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই আহ্বান শুধু দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশেই নয়—বরং সমগ্র নাগরিক সমাজকে দেশের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে অংশগ্রহণ করার প্রেরণা দেয়, যা সামনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি’র দৃঢ় ভূমিকা প্রদর্শনের ইঙ্গিত হিসেবেও ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
তারেক রহমান আজ দীর্ঘ সময় পরে নয়াপল্টনে উপস্থিত হয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দেশ গড়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যেখানে যার অবস্থান আছে, সেখান থেকেই চেষ্টা করে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে, ছোট-ছোট কাজের মাধ্যমেও দারুণ পরিবর্তন সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন