জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাজনূভা জাবীন। মঙ্গলবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, দলটির নীতি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থান তাকে গভীরভাবে হতাশ করেছে। সেই কারণেই তিনি তাল দল (এনসিপি) থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনোভাবেই অংশ নেবেন না বলেও জানিয়েছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, তাজনূভা জাবীন রাজধানীর ঢাকা-১৭ আসনে এনসিপি থেকে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কয়েক দফা প্রচারণামূলক কার্যক্রমেও তিনি অংশ নেন। তবে নির্বাচনী জোট, আসন সমন্বয় এবং প্রার্থী বাছাই–সংক্রান্ত দলের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রার্থী তালিকা প্রণয়ন এবং জোট গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্বচ্ছতা ছিল না, বরং তড়িঘড়ি করে কিছু সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে দলের ভেতরে অনেক নেতাকর্মীর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তার পদত্যাগ এমন সময় এলো, যখন ঠিক আগের দিনই এনসিপির আরেক আলোচিত নেতা ডা. তাসনিম জারা দল থেকে ইস্তফা দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। একের পর এক দুই শীর্ষস্থানীয় নারী নেত্রীর পদত্যাগে এনসিপির ভেতরে অস্থিরতা আরও বাড়ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলটির নেতৃত্ব ও নীতি নির্ধারণে মতবিরোধ চরমে উঠেছে, যা নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পদত্যাগপত্রে তাজনূভা জাবীন উল্লেখ করেন, এনসিপিতে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল নতুন প্রজন্মের জন্য একটি স্বচ্ছ ও আধুনিক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্য নিয়ে। কিন্তু সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলো সেই উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করেছে। তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলে মতপার্থক্য থাকাই স্বাভাবিক, কিন্তু যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া বিশ্বাসযোগ্য না হয় এবং নীতি ও বাস্তবতার মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়, তবে সেখানে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এনসিপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত তার পদত্যাগ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দলটির অভ্যন্তরে যে পরিবর্তন ও পুনর্বিন্যাস চলছে, তাতে আরও কিছু নেতার অবস্থান পরিবর্তন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাজনূভা জাবীন জানিয়েছেন, তিনি আপাতত রাজনীতির বাইরে থাকবেন এবং কোনো জোট বা দলের সঙ্গে জড়ানোর ইচ্ছা নেই।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাজনূভা জাবীন। মঙ্গলবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, দলটির নীতি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থান তাকে গভীরভাবে হতাশ করেছে। সেই কারণেই তিনি তাল দল (এনসিপি) থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনোভাবেই অংশ নেবেন না বলেও জানিয়েছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, তাজনূভা জাবীন রাজধানীর ঢাকা-১৭ আসনে এনসিপি থেকে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কয়েক দফা প্রচারণামূলক কার্যক্রমেও তিনি অংশ নেন। তবে নির্বাচনী জোট, আসন সমন্বয় এবং প্রার্থী বাছাই–সংক্রান্ত দলের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রার্থী তালিকা প্রণয়ন এবং জোট গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্বচ্ছতা ছিল না, বরং তড়িঘড়ি করে কিছু সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে দলের ভেতরে অনেক নেতাকর্মীর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তার পদত্যাগ এমন সময় এলো, যখন ঠিক আগের দিনই এনসিপির আরেক আলোচিত নেতা ডা. তাসনিম জারা দল থেকে ইস্তফা দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। একের পর এক দুই শীর্ষস্থানীয় নারী নেত্রীর পদত্যাগে এনসিপির ভেতরে অস্থিরতা আরও বাড়ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলটির নেতৃত্ব ও নীতি নির্ধারণে মতবিরোধ চরমে উঠেছে, যা নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পদত্যাগপত্রে তাজনূভা জাবীন উল্লেখ করেন, এনসিপিতে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল নতুন প্রজন্মের জন্য একটি স্বচ্ছ ও আধুনিক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্য নিয়ে। কিন্তু সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলো সেই উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করেছে। তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলে মতপার্থক্য থাকাই স্বাভাবিক, কিন্তু যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া বিশ্বাসযোগ্য না হয় এবং নীতি ও বাস্তবতার মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়, তবে সেখানে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এনসিপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত তার পদত্যাগ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দলটির অভ্যন্তরে যে পরিবর্তন ও পুনর্বিন্যাস চলছে, তাতে আরও কিছু নেতার অবস্থান পরিবর্তন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাজনূভা জাবীন জানিয়েছেন, তিনি আপাতত রাজনীতির বাইরে থাকবেন এবং কোনো জোট বা দলের সঙ্গে জড়ানোর ইচ্ছা নেই।

আপনার মতামত লিখুন