বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. আব্দুল কাদের সীমান্তঘেঁষা এলাকার বাসিন্দাদের বিজিবির এই অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। সীমান্তে কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে ভারতে সার পাচারের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। একইভাবে ভারত থেকে অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করা হলে তা ঠেকাতেও বিজিবি সতর্ক রয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইন, সার পাচার কিংবা অন্য কোনো অপরাধের তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত বিজিবিকে জানানোর জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সীমান্তের ওপারে থাকা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকেও পুশ-ইনসংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে বিজিবিকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র বলছে, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর আগে বেনাপোল সীমান্তেও এমন পরিস্থিতি দেখা যায়। গত জুনে বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তে একদল মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে বিজিবি জানিয়েছিল। বাহিনীটির কঠোর অবস্থানের পর কয়েক দিন পরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ তাদের শূন্যরেখা এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়।
অন্যদিকে বেনাপোল সীমান্ত ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে সার পাচারের আশঙ্কায় নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি। কোনো ব্যক্তি বা চক্র সার পাচারে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বাহিনীটিকে জানানোর জন্য সীমান্তবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বেনাপোল সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানও জোরদার করা হয়েছে। গত ২৮ আগস্ট পৃথক অভিযানে বেনাপোল বিওপি ও আইসিপি ক্যাম্পের সদস্যরা ৮ লাখ ৫১ হাজার টাকার বেশি মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালান পণ্য জব্দ করেন। সীমান্তে এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে বিজিবি।
বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. আব্দুল কাদেরের ভাষ্য, সীমান্তের নিরাপত্তা ও অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাওয়া গেলে সার পাচার, পুশ-ইন এবং অন্যান্য সীমান্ত অপরাধ আরও কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারাও বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাদের মতে, সীমান্তে সংঘটিত অপরাধের প্রভাব স্থানীয় জনজীবনের ওপরও পড়ে। ফলে নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি সন্দেহজনক তৎপরতার তথ্য দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো প্রয়োজন।
বিজিবি জানিয়েছে, সার পাচার ও অবৈধ পুশ-ইনের পাশাপাশি মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালানসহ সব ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে তাদের নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. আব্দুল কাদের সীমান্তঘেঁষা এলাকার বাসিন্দাদের বিজিবির এই অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। সীমান্তে কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে ভারতে সার পাচারের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। একইভাবে ভারত থেকে অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করা হলে তা ঠেকাতেও বিজিবি সতর্ক রয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইন, সার পাচার কিংবা অন্য কোনো অপরাধের তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত বিজিবিকে জানানোর জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সীমান্তের ওপারে থাকা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকেও পুশ-ইনসংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে বিজিবিকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র বলছে, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর আগে বেনাপোল সীমান্তেও এমন পরিস্থিতি দেখা যায়। গত জুনে বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তে একদল মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে বিজিবি জানিয়েছিল। বাহিনীটির কঠোর অবস্থানের পর কয়েক দিন পরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ তাদের শূন্যরেখা এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়।
অন্যদিকে বেনাপোল সীমান্ত ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে সার পাচারের আশঙ্কায় নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি। কোনো ব্যক্তি বা চক্র সার পাচারে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বাহিনীটিকে জানানোর জন্য সীমান্তবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বেনাপোল সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানও জোরদার করা হয়েছে। গত ২৮ আগস্ট পৃথক অভিযানে বেনাপোল বিওপি ও আইসিপি ক্যাম্পের সদস্যরা ৮ লাখ ৫১ হাজার টাকার বেশি মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালান পণ্য জব্দ করেন। সীমান্তে এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে বিজিবি।
বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. আব্দুল কাদেরের ভাষ্য, সীমান্তের নিরাপত্তা ও অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাওয়া গেলে সার পাচার, পুশ-ইন এবং অন্যান্য সীমান্ত অপরাধ আরও কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারাও বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাদের মতে, সীমান্তে সংঘটিত অপরাধের প্রভাব স্থানীয় জনজীবনের ওপরও পড়ে। ফলে নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি সন্দেহজনক তৎপরতার তথ্য দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো প্রয়োজন।
বিজিবি জানিয়েছে, সার পাচার ও অবৈধ পুশ-ইনের পাশাপাশি মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালানসহ সব ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে তাদের নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন