প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ঢাকা ও নয়াদিল্লিতে আলোচনা চলছে। ভারত এরই মধ্যে তাকে দ্বিপক্ষীয় সফরের পাশাপাশি দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তবে সফরের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির বলেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় মিললে তারেক রহমান দিল্লি সফর করবেন। তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে ঢাকার ইতিবাচক অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
এর আগে আগস্টে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে বিভিন্ন ধরনের খবর প্রকাশিত হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সম্ভাব্য সফরের সময়সূচি নিয়েও প্রতিবেদন আসে। তবে সে সময় বাংলাদেশ সরকার জানায়, কোনো তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও তখন নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করেনি।
গত ১৩ আগস্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরসহ অন্যান্য বিদেশ সফর চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের জন্য সুবিধাজনক সময় বিবেচনা করা হবে। তিনি বলেছিলেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসলে বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়।
এদিকে গত ২৯ আগস্ট নয়াদিল্লিতে আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণে একটি সেমিনারের অনুমতি না দেওয়ার ঘটনাকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন হুমায়ূন কবির। দিল্লি পুলিশের বাধার কারণে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ায় নির্ধারিত ওই সেমিনার শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে বাণিজ্য, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ, জ্বালানি এবং গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মতো বিষয় রয়েছে। দুই দেশের সরকার প্রধানের বৈঠক হলে এসব বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।
তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠিক কবে দিল্লি যাবেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সর্বশেষ বক্তব্য অনুযায়ী, দুই দেশের সরকারপ্রধানের সময়সূচি সমন্বয়ের ওপরই সম্ভাব্য সফরের সময় নির্ভর করছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ঢাকা ও নয়াদিল্লিতে আলোচনা চলছে। ভারত এরই মধ্যে তাকে দ্বিপক্ষীয় সফরের পাশাপাশি দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তবে সফরের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির বলেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় মিললে তারেক রহমান দিল্লি সফর করবেন। তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে ঢাকার ইতিবাচক অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
এর আগে আগস্টে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে বিভিন্ন ধরনের খবর প্রকাশিত হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সম্ভাব্য সফরের সময়সূচি নিয়েও প্রতিবেদন আসে। তবে সে সময় বাংলাদেশ সরকার জানায়, কোনো তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও তখন নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করেনি।
গত ১৩ আগস্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরসহ অন্যান্য বিদেশ সফর চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের জন্য সুবিধাজনক সময় বিবেচনা করা হবে। তিনি বলেছিলেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসলে বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়।
এদিকে গত ২৯ আগস্ট নয়াদিল্লিতে আওয়ামী লীগ নেতাদের অংশগ্রহণে একটি সেমিনারের অনুমতি না দেওয়ার ঘটনাকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন হুমায়ূন কবির। দিল্লি পুলিশের বাধার কারণে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ায় নির্ধারিত ওই সেমিনার শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে বাণিজ্য, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ, জ্বালানি এবং গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মতো বিষয় রয়েছে। দুই দেশের সরকার প্রধানের বৈঠক হলে এসব বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।
তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠিক কবে দিল্লি যাবেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সর্বশেষ বক্তব্য অনুযায়ী, দুই দেশের সরকারপ্রধানের সময়সূচি সমন্বয়ের ওপরই সম্ভাব্য সফরের সময় নির্ভর করছে।

আপনার মতামত লিখুন