রোববার (৩০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে আইনের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার কাউকে গুম করেনি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে গুম করতে দেবে না। কেউ যদি এ ধরনের অপরাধে জড়িত হয়, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে গুমের শিকার ব্যক্তিদের বিষয়ে সত্য উদ্ঘাটন এবং তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়ে সরকার কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, গুমের অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো বাহিনী বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে।
এর আগে শনিবার রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, বর্তমান সরকারের ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা কিংবা রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি। একই অনুষ্ঠানে তিনি নিজের অতীতের গুম হওয়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।
গুম প্রতিরোধে আইনি কাঠামো শক্তিশালী করার উদ্যোগের কথাও জানিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, গুমের ঘটনা প্রতিরোধের পাশাপাশি অতীতের অভিযোগগুলোর তদন্ত, ভুক্তভোগীদের অধিকার এবং দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা বা ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে নয়। মানুষের মৌলিক ও মানবাধিকার সুরক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতে দেশে যেন গুমের মতো ঘটনা আর না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
রোববার (৩০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে আইনের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার কাউকে গুম করেনি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে গুম করতে দেবে না। কেউ যদি এ ধরনের অপরাধে জড়িত হয়, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে গুমের শিকার ব্যক্তিদের বিষয়ে সত্য উদ্ঘাটন এবং তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়ে সরকার কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, গুমের অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো বাহিনী বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে।
এর আগে শনিবার রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, বর্তমান সরকারের ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা কিংবা রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি। একই অনুষ্ঠানে তিনি নিজের অতীতের গুম হওয়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।
গুম প্রতিরোধে আইনি কাঠামো শক্তিশালী করার উদ্যোগের কথাও জানিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, গুমের ঘটনা প্রতিরোধের পাশাপাশি অতীতের অভিযোগগুলোর তদন্ত, ভুক্তভোগীদের অধিকার এবং দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা বা ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে নয়। মানুষের মৌলিক ও মানবাধিকার সুরক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতে দেশে যেন গুমের মতো ঘটনা আর না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন