ঢাকা    সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকা রনজিনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ‘প্যারা পনি’সহ গ্রেপ্তার ২


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকা রনজিনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ‘প্যারা পনি’সহ গ্রেপ্তার ২
সংগৃহীত

রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে বগুড়ার প্রধান শিক্ষিকা রনজিনা পারভীনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-২)।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন মোশারফ হোসেন পনি ওরফে পনি গাজী ওরফে ‘প্যারা পনি’ এবং তার সহযোগী সেড্রিক। র‍্যাব পনিকে মামলার মূল সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় র‍্যাব-২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাহিনীটির অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

র‍্যাব জানিয়েছে, ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়। পরে অভিযান চালিয়ে পনি ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি ইয়ামাহা আর১৫ মডেলের মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা মোটরসাইকেলের রং ও র‍্যাবের উদ্ধার করা মোটরসাইকেলের রঙে পার্থক্য থাকার বিষয়টি বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। র‍্যাব পনিকে এখন পর্যন্ত ‘মূল সন্দেহভাজন’ হিসেবেই উল্লেখ করেছে।

এর আগে শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে চোখের চিকিৎসার জন্য স্বামীর সঙ্গে বগুড়া থেকে ঢাকায় এসেছিলেন রনজিনা পারভীন। তিনি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

ঢাকায় পৌঁছে স্বামী আব্দুল মতিনের সঙ্গে রিকশায় করে খামারবাড়ি এলাকার ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে যাচ্ছিলেন তিনি। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনের সড়কে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা দুই ছিনতাইকারী তার হাতে থাকা ব্যাগ ধরে টান দেয়।

হ্যাঁচকা টানে রনজিনা রিকশা থেকে সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় রনজিনার স্বামী শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬


সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকা রনজিনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ‘প্যারা পনি’সহ গ্রেপ্তার ২

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে বগুড়ার প্রধান শিক্ষিকা রনজিনা পারভীনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-২)।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন মোশারফ হোসেন পনি ওরফে পনি গাজী ওরফে ‘প্যারা পনি’ এবং তার সহযোগী সেড্রিক। র‍্যাব পনিকে মামলার মূল সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় র‍্যাব-২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাহিনীটির অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

র‍্যাব জানিয়েছে, ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়। পরে অভিযান চালিয়ে পনি ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি ইয়ামাহা আর১৫ মডেলের মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা মোটরসাইকেলের রং ও র‍্যাবের উদ্ধার করা মোটরসাইকেলের রঙে পার্থক্য থাকার বিষয়টি বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। র‍্যাব পনিকে এখন পর্যন্ত ‘মূল সন্দেহভাজন’ হিসেবেই উল্লেখ করেছে।

এর আগে শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে চোখের চিকিৎসার জন্য স্বামীর সঙ্গে বগুড়া থেকে ঢাকায় এসেছিলেন রনজিনা পারভীন। তিনি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

ঢাকায় পৌঁছে স্বামী আব্দুল মতিনের সঙ্গে রিকশায় করে খামারবাড়ি এলাকার ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে যাচ্ছিলেন তিনি। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনের সড়কে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা দুই ছিনতাইকারী তার হাতে থাকা ব্যাগ ধরে টান দেয়।

হ্যাঁচকা টানে রনজিনা রিকশা থেকে সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় রনজিনার স্বামী শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ