সোমবার (২৪ আগস্ট) জেলা প্রশাসন, নওগাঁ ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে সদর উপজেলার মিষ্টি পট্টি, পুরাতন মাছ বাজার ও বিসিক এলাকার মেসার্স দত্ত স্টোর, জিলানী অয়েল মিল এবং সুমন অয়েল মিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিষেক কান্তি বর্মন এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নওগাঁ জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় আনসার ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস দলসহ অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ সহযোগিতা করেন।
অভিযানকালে মেসার্স দত্ত স্টোরে নিষিদ্ধ ঘনচিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট) ও হাইড্রোজ সংরক্ষণ ও বিক্রি, অননুমোদিত ও মেয়াদোত্তীর্ণ রঙ ও ফ্লেভার বিক্রি, লেবেলবিহীন রঙ এবং অ্যামোনিয়াম সালফেট সংরক্ষণ ও বিক্রির অনিয়ম পাওয়া যায়।
এ ছাড়া জিলানী ও সুমন অয়েল মিলে সরিষার সঙ্গে ক্যানোলা মিশিয়ে তা সরিষার তেল নামে উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়। পাশাপাশি তেলের বোতলে মেয়াদ, ব্যাচ নম্বর, উৎপাদনের তারিখ ও নির্ধারিত মূল্য উল্লেখ না থাকার বিষয়টিও ধরা পড়ে।
এসব অনিয়মের কারণে মেসার্স দত্ত স্টোরকে ১ লাখ টাকা, জিলানী অয়েল মিলকে ১০ হাজার টাকা এবং সুমন অয়েল মিলকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।
অভিযানে জব্দ করা অননুমোদিত ও মেয়াদোত্তীর্ণ রঙ, ফ্লেভার, সোডিয়াম সাইক্লামেট, হাইড্রোজ ও অ্যামোনিয়াম সালফেট জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে চিহ্নিত অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যথায় নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, জনসাধারণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (২৪ আগস্ট) জেলা প্রশাসন, নওগাঁ ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে সদর উপজেলার মিষ্টি পট্টি, পুরাতন মাছ বাজার ও বিসিক এলাকার মেসার্স দত্ত স্টোর, জিলানী অয়েল মিল এবং সুমন অয়েল মিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিষেক কান্তি বর্মন এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নওগাঁ জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় আনসার ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস দলসহ অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ সহযোগিতা করেন।
অভিযানকালে মেসার্স দত্ত স্টোরে নিষিদ্ধ ঘনচিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট) ও হাইড্রোজ সংরক্ষণ ও বিক্রি, অননুমোদিত ও মেয়াদোত্তীর্ণ রঙ ও ফ্লেভার বিক্রি, লেবেলবিহীন রঙ এবং অ্যামোনিয়াম সালফেট সংরক্ষণ ও বিক্রির অনিয়ম পাওয়া যায়।
এ ছাড়া জিলানী ও সুমন অয়েল মিলে সরিষার সঙ্গে ক্যানোলা মিশিয়ে তা সরিষার তেল নামে উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়। পাশাপাশি তেলের বোতলে মেয়াদ, ব্যাচ নম্বর, উৎপাদনের তারিখ ও নির্ধারিত মূল্য উল্লেখ না থাকার বিষয়টিও ধরা পড়ে।
এসব অনিয়মের কারণে মেসার্স দত্ত স্টোরকে ১ লাখ টাকা, জিলানী অয়েল মিলকে ১০ হাজার টাকা এবং সুমন অয়েল মিলকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।
অভিযানে জব্দ করা অননুমোদিত ও মেয়াদোত্তীর্ণ রঙ, ফ্লেভার, সোডিয়াম সাইক্লামেট, হাইড্রোজ ও অ্যামোনিয়াম সালফেট জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে চিহ্নিত অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যথায় নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, জনসাধারণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন