পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও জীবনমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় রাঙ্গামাটির লংগদুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ও রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং পোর্ট সিটি, রোটারাক্ট ক্লাব অব চিটাগাং লেক সিটি, চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন এবং লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং প্রোগ্রেসিভ সাউথ এর সার্বিক সহযোগিতায় আজ লংগদু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে এক চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পেইন এর আয়োজন করা হয়।
উক্ত ক্যাম্পেইনে অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে রোগীদের বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ, প্রয়োজনীয় ঔষধ এবং চশমা বিতরণ করা হয়। এতে সর্বমোট ৭১৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান, ২০০ জন রোগীকে চশমা বিতরণ এবং ২১৭ জন ছানিপড়াসহ জটিল চোখের রোগীকে উন্নত চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের জন্য চট্টগ্রামে রেফার করা হয়। রেফারকৃত সকল রোগীর চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার-সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয়ভার সেনাবাহিনী কর্তৃক বহন করা হবে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের সাথে পারস্পরিক আস্থা, সম্প্রীতি ও সুসম্পর্ক জোরদার করতে সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও মানবিক চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও জীবনমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় রাঙ্গামাটির লংগদুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ও রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং পোর্ট সিটি, রোটারাক্ট ক্লাব অব চিটাগাং লেক সিটি, চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন এবং লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং প্রোগ্রেসিভ সাউথ এর সার্বিক সহযোগিতায় আজ লংগদু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে এক চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পেইন এর আয়োজন করা হয়।
উক্ত ক্যাম্পেইনে অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে রোগীদের বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ, প্রয়োজনীয় ঔষধ এবং চশমা বিতরণ করা হয়। এতে সর্বমোট ৭১৭ জন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান, ২০০ জন রোগীকে চশমা বিতরণ এবং ২১৭ জন ছানিপড়াসহ জটিল চোখের রোগীকে উন্নত চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের জন্য চট্টগ্রামে রেফার করা হয়। রেফারকৃত সকল রোগীর চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার-সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয়ভার সেনাবাহিনী কর্তৃক বহন করা হবে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের সাথে পারস্পরিক আস্থা, সম্প্রীতি ও সুসম্পর্ক জোরদার করতে সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও মানবিক চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন