ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

গুইমারায় ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি, নতুন প্যাকেজে নেই চাল



গুইমারায় ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি, নতুন প্যাকেজে নেই চাল
এত দরিদ্র মানুষ ক্রয় করছেন টিসিবির পণ্য

দীর্ঘ প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় আবারও শুরু হয়েছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে উপজেলার নির্ধারিত বিক্রয়কেন্দ্রে পণ্য বিক্রি শুরু হলে সকাল থেকেই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শত শত নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে এলাকা সরগরম হয়ে ওঠে।

সাশ্রয়ী মূল্যে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সংগ্রহের আশায় গুইমারা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা উপকারভোগীরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তাদের জন্য বরাদ্দকৃত পণ্য গ্রহণ করেন। দীর্ঘ বিরতির পর কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করলেও নতুন প্যাকেজে চাল না থাকায় অনেকেই হতাশা ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগে টিসিবির ৫৪০ টাকার একটি প্যাকেজে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল এবং ১ কেজি চিনি দেওয়া হতো। তবে বর্তমানে ৪৭০ টাকার নতুন প্যাকেজে রয়েছে ২ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি ডাল, ১ কেজি চিনি, ২০ টাকা মূল্যের একটি কাপড় কাচার সাবান এবং ৩০ টাকা মূল্যের একটি গোসলের সাবান।

পণ্য নিতে আসা একাধিক ক্রেতা বলেন, সংসারের ব্যয় কিছুটা কমানোর আশায় তারা টিসিবির পণ্যের ওপর নির্ভর করেন। কিন্তু আগের মতো চাল না থাকায় নিম্ন আয়ের পরিবারের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তাটি থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

একজন উপকারভোগী বলেন, "আমরা টিসিবির পণ্য নিতে আসি সংসারের খরচ বাঁচানোর জন্য। আগের মতো যদি ৫ কেজি চাল দেওয়া হতো, তাহলে আমাদের আরও বেশি উপকার হতো।"

স্থানীয়দের ভাষ্য, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় দিন দিন বেড়েই চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে টিসিবির ভর্তুকিমূল্যের পণ্য নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করছে।

তাদের দাবি, নতুন প্যাকেজে সাবানের পরিবর্তে আগের মতো চাল পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং নিয়মিতভাবে টিসিবির পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হলে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন।

বিষয় : টিসিবি গুইমারা টিসিবি টিসিবির পণ্য খাগড়াছড়ির খবর

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


গুইমারায় ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি, নতুন প্যাকেজে নেই চাল

প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় আবারও শুরু হয়েছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে উপজেলার নির্ধারিত বিক্রয়কেন্দ্রে পণ্য বিক্রি শুরু হলে সকাল থেকেই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শত শত নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে এলাকা সরগরম হয়ে ওঠে।

সাশ্রয়ী মূল্যে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সংগ্রহের আশায় গুইমারা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা উপকারভোগীরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তাদের জন্য বরাদ্দকৃত পণ্য গ্রহণ করেন। দীর্ঘ বিরতির পর কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করলেও নতুন প্যাকেজে চাল না থাকায় অনেকেই হতাশা ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগে টিসিবির ৫৪০ টাকার একটি প্যাকেজে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল এবং ১ কেজি চিনি দেওয়া হতো। তবে বর্তমানে ৪৭০ টাকার নতুন প্যাকেজে রয়েছে ২ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি ডাল, ১ কেজি চিনি, ২০ টাকা মূল্যের একটি কাপড় কাচার সাবান এবং ৩০ টাকা মূল্যের একটি গোসলের সাবান।

পণ্য নিতে আসা একাধিক ক্রেতা বলেন, সংসারের ব্যয় কিছুটা কমানোর আশায় তারা টিসিবির পণ্যের ওপর নির্ভর করেন। কিন্তু আগের মতো চাল না থাকায় নিম্ন আয়ের পরিবারের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তাটি থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

একজন উপকারভোগী বলেন, "আমরা টিসিবির পণ্য নিতে আসি সংসারের খরচ বাঁচানোর জন্য। আগের মতো যদি ৫ কেজি চাল দেওয়া হতো, তাহলে আমাদের আরও বেশি উপকার হতো।"

স্থানীয়দের ভাষ্য, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় দিন দিন বেড়েই চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে টিসিবির ভর্তুকিমূল্যের পণ্য নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করছে।

তাদের দাবি, নতুন প্যাকেজে সাবানের পরিবর্তে আগের মতো চাল পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং নিয়মিতভাবে টিসিবির পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হলে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ