রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে জব্দকৃত জাল ধ্বংসের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এসব অবৈধ জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিল মান্দা ও উথরাইল বিল এলাকায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রায় ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ২ হাজার মিটার বেড়জাল এবং ৭টি রিংজাল জব্দ করা হয়। বাজারমূল্যে এসব জালের মূল্য প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকা।
মৎস্য বিভাগ জানায়, ‘জবই বিল ও পাশ্ববর্তী বিলসমূহে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’-এর আওতায় বিল মান্দা ও উথরাইল বিলে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করা, জলাশয়ের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা এবং জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ কারেন্ট জাল, বেড়জাল ও রিংজাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ শিকার করা হলে ছোট মাছ ও পোনা ধ্বংস হয়, যা ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ কারণে এসব নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
জাল ধ্বংস কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিল নওরোজ বৈশাখ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীপঙ্কর পাল, জেলা ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মোজাফফর হোসেন, অফিস সহকারী জিয়াউল হকসহ মৎস্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে অবৈধ জাল ব্যবহার ও নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে জেলেদের সচেতন করতে নিয়মিত প্রচার-প্রচারণাও চালানো হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে জব্দকৃত জাল ধ্বংসের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এসব অবৈধ জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিল মান্দা ও উথরাইল বিল এলাকায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রায় ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ২ হাজার মিটার বেড়জাল এবং ৭টি রিংজাল জব্দ করা হয়। বাজারমূল্যে এসব জালের মূল্য প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকা।
মৎস্য বিভাগ জানায়, ‘জবই বিল ও পাশ্ববর্তী বিলসমূহে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’-এর আওতায় বিল মান্দা ও উথরাইল বিলে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করা, জলাশয়ের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা এবং জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ কারেন্ট জাল, বেড়জাল ও রিংজাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ শিকার করা হলে ছোট মাছ ও পোনা ধ্বংস হয়, যা ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ কারণে এসব নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
জাল ধ্বংস কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিল নওরোজ বৈশাখ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীপঙ্কর পাল, জেলা ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মোজাফফর হোসেন, অফিস সহকারী জিয়াউল হকসহ মৎস্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে অবৈধ জাল ব্যবহার ও নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে জেলেদের সচেতন করতে নিয়মিত প্রচার-প্রচারণাও চালানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন