সোমবার (২৭ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মিলন মাঝি (২১), মো. ইয়ামিন ইসলাম (১৯) এবং অপূর্ব চক্রবর্তী (১৯)। মিলন মাঝি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার হরিসকুল গ্রামের মঙ্গল মাঝির ছেলে, ইয়ামিন ইসলাম টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার মীর কুমুল্লী গ্রামের বাসিন্দা এবং অপূর্ব চক্রবর্তী ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার হরিসকুল গ্রামের মৃত গণেশ চক্রবর্তীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থানার চামুড্ডা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা—বিকাশ, নগদ ও বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করে মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে অনলাইন জুয়া পরিচালনা ও খেলায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পূবাইল থানার একটি দল চামুড্ডা বাজারসংলগ্ন নৈবাড়ীগামী সড়কের পাশে কাজলের চায়ের দোকানের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। সেখান থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় তাদের ব্যবহৃত তিনটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়, যা তদন্তের স্বার্থে আলামত হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
পূবাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রুহুল আমিন জানান, টহল ডিউটির সময় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলো পরীক্ষা করে অনলাইন জুয়া পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ চলছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে এ চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
সোমবার (২৭ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মিলন মাঝি (২১), মো. ইয়ামিন ইসলাম (১৯) এবং অপূর্ব চক্রবর্তী (১৯)। মিলন মাঝি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার হরিসকুল গ্রামের মঙ্গল মাঝির ছেলে, ইয়ামিন ইসলাম টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার মীর কুমুল্লী গ্রামের বাসিন্দা এবং অপূর্ব চক্রবর্তী ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার হরিসকুল গ্রামের মৃত গণেশ চক্রবর্তীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থানার চামুড্ডা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা—বিকাশ, নগদ ও বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করে মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে অনলাইন জুয়া পরিচালনা ও খেলায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পূবাইল থানার একটি দল চামুড্ডা বাজারসংলগ্ন নৈবাড়ীগামী সড়কের পাশে কাজলের চায়ের দোকানের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। সেখান থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় তাদের ব্যবহৃত তিনটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়, যা তদন্তের স্বার্থে আলামত হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
পূবাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রুহুল আমিন জানান, টহল ডিউটির সময় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলো পরীক্ষা করে অনলাইন জুয়া পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ চলছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে এ চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন