কামরুল হাসান জীবন | নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁয় ভুয়া দলিল তৈরি করে জমির প্রকৃত মালিককে উচ্ছেদ এবং জমি জবরদখলের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চার সহোদর ভাইয়ের জামিন বাতিল করেছেন আদালত। মামলার অন্যতম আসামি মতিউর রহমান সোনারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আদালতের পরোয়ানামূলে গত ২৫ জুলাই মতিউর রহমান সোনারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৬ জুলাই প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অপর তিন আসামি, যারা তার আপন ভাই, বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
আদালতের নথি সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৮-এ বিচারাধীন সিআর মামলা নম্বর ৭৬৬/২০২৫-এ আসামিদের বিরুদ্ধে ভুয়া দলিল প্রস্তুত ও ব্যবহার করে প্রকৃত জমির মালিককে উচ্ছেদ এবং জমি জবরদখলের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে নিম্ন আদালত আসামিদের জামিন মঞ্জুর করলেও বাদীপক্ষের রিভিশন আবেদনের শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন বাতিল করেন। একই সঙ্গে আগামী ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে নির্ধারিত হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
কামরুল হাসান জীবন | নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁয় ভুয়া দলিল তৈরি করে জমির প্রকৃত মালিককে উচ্ছেদ এবং জমি জবরদখলের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চার সহোদর ভাইয়ের জামিন বাতিল করেছেন আদালত। মামলার অন্যতম আসামি মতিউর রহমান সোনারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আদালতের পরোয়ানামূলে গত ২৫ জুলাই মতিউর রহমান সোনারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৬ জুলাই প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অপর তিন আসামি, যারা তার আপন ভাই, বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
আদালতের নথি সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৮-এ বিচারাধীন সিআর মামলা নম্বর ৭৬৬/২০২৫-এ আসামিদের বিরুদ্ধে ভুয়া দলিল প্রস্তুত ও ব্যবহার করে প্রকৃত জমির মালিককে উচ্ছেদ এবং জমি জবরদখলের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে নিম্ন আদালত আসামিদের জামিন মঞ্জুর করলেও বাদীপক্ষের রিভিশন আবেদনের শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন বাতিল করেন। একই সঙ্গে আগামী ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে নির্ধারিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন