রান্নায় সুগন্ধ ও স্বাদ বাড়াতে তেজপাতার ব্যবহার বহুদিনের। তবে এই পরিচিত মসলা শুধু খাবারের স্বাদেই সীমাবদ্ধ নয়, ভেষজ গুণের কারণেও এটি বেশ জনপ্রিয়। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় দীর্ঘদিন ধরে তেজপাতা বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে সর্দি-কাশি, হালকা মাথাব্যথা কিংবা হজমের সমস্যায় অনেকেই তেজপাতা ভেজানো বা ফোটানো পানি পান করেন।
তেজপাতায় রয়েছে পলিফেনল, ফ্ল্যাভনয়েড ও ভিটামিন সি-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এসব উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে, কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে এবং প্রদাহ হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
হজমের সমস্যা কমাতে তেজপাতার ব্যবহার দীর্ঘদিনের। এতে থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করতে সাহায্য করতে পারে। ফলে বদহজম, পেটফাঁপা বা হালকা পেটের অস্বস্তি কমাতে এটি উপকারী হতে পারে।
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, তেজপাতার নির্দিষ্ট কিছু উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা ও গ্লুকোজ বিপাকে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এটি কোনোভাবেই ওষুধের বিকল্প নয়। এ ধরনের সমস্যা থাকলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়েই খাদ্যতালিকায় এটি যুক্ত করা উচিত।
তেজপাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য উদ্ভিজ্জ উপাদান হৃদ্স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে। এগুলো শরীরের প্রদাহ কমাতে এবং কোলেস্টেরলের ভারসাম্য বজায় রাখতে কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদানে সমৃদ্ধ তেজপাতা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশির মতো সাধারণ সমস্যায় অনেকেই তেজপাতা ফোটানো পানি পান করে থাকেন।
তেজপাতার পানি একটি ভেষজ পানীয় হলেও এটি কোনো রোগের নিশ্চিত চিকিৎসা নয়। সব ধরনের স্বাস্থ্যসমস্যা দূর করবে, এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। তাই কোনো রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
রান্নায় সুগন্ধ ও স্বাদ বাড়াতে তেজপাতার ব্যবহার বহুদিনের। তবে এই পরিচিত মসলা শুধু খাবারের স্বাদেই সীমাবদ্ধ নয়, ভেষজ গুণের কারণেও এটি বেশ জনপ্রিয়। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় দীর্ঘদিন ধরে তেজপাতা বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে সর্দি-কাশি, হালকা মাথাব্যথা কিংবা হজমের সমস্যায় অনেকেই তেজপাতা ভেজানো বা ফোটানো পানি পান করেন।
তেজপাতায় রয়েছে পলিফেনল, ফ্ল্যাভনয়েড ও ভিটামিন সি-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এসব উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে, কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে এবং প্রদাহ হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
হজমের সমস্যা কমাতে তেজপাতার ব্যবহার দীর্ঘদিনের। এতে থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করতে সাহায্য করতে পারে। ফলে বদহজম, পেটফাঁপা বা হালকা পেটের অস্বস্তি কমাতে এটি উপকারী হতে পারে।
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, তেজপাতার নির্দিষ্ট কিছু উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা ও গ্লুকোজ বিপাকে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এটি কোনোভাবেই ওষুধের বিকল্প নয়। এ ধরনের সমস্যা থাকলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়েই খাদ্যতালিকায় এটি যুক্ত করা উচিত।
তেজপাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য উদ্ভিজ্জ উপাদান হৃদ্স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে। এগুলো শরীরের প্রদাহ কমাতে এবং কোলেস্টেরলের ভারসাম্য বজায় রাখতে কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদানে সমৃদ্ধ তেজপাতা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশির মতো সাধারণ সমস্যায় অনেকেই তেজপাতা ফোটানো পানি পান করে থাকেন।
তেজপাতার পানি একটি ভেষজ পানীয় হলেও এটি কোনো রোগের নিশ্চিত চিকিৎসা নয়। সব ধরনের স্বাস্থ্যসমস্যা দূর করবে, এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। তাই কোনো রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন