বর্ষা এলেই অনেকের বিশ্বাস, বৃষ্টির পানিতে ভিজলে ঘামাচি কমে যায় এবং ত্বকের বিভিন্ন সমস্যাও দূর হয়। তবে চিকিৎসকদের মতে, এই ধারণার পেছনে শক্ত কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ঘামাচি থেকে যে সাময়িক স্বস্তি পাওয়া যায়, তার মূল কারণ বৃষ্টির পানি নয়, বরং শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া।
বিশেষজ্ঞরা জানান, অতিরিক্ত গরমে ঘর্মগ্রন্থির নিঃসরণে বাধা সৃষ্টি হলে বা সেখানে প্রদাহ দেখা দিলে ঘামাচি হয়। বৃষ্টির পানি তুলনামূলক ঠান্ডা হওয়ায় শরীর দ্রুত শীতল হয়। এতে জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তি কিছুটা কমে। একই ধরনের উপকার সাধারণ ঠান্ডা পানি দিয়েও পাওয়া সম্ভব।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, ঘামাচির সমস্যা হলে ঠান্ডা পানিতে গোসল করা, আক্রান্ত স্থানে ঠান্ডা পানি ঢালা অথবা ঠান্ডা ভেজা কাপড় ব্যবহার করলে আরাম পাওয়া যায়। এমনকি মাটির কলসের স্বাভাবিক ঠান্ডা পানিও এ ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে।
অন্যদিকে, বৃষ্টিতে ভেজার পর অবশ্যই পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রুদ্রজিৎ পালের মতে, বৃষ্টিতে ভিজে গোসল করলে ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ হয়—এমন ধারণা সঠিক নয়। তবে শহরের দূষিত বাতাসে থাকা ধুলাবালি, বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ এবং অ্যাসিড বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে ত্বকে লেগে থাকতে পারে। এগুলো ত্বকে র্যাশ, অ্যালার্জি কিংবা জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে। তাই বৃষ্টিতে ভেজার পর পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করে এসব উপাদান ধুয়ে ফেলা উচিত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির পানির কোনো বিশেষ গুণে ঘামাচি সেরে যায় না। শরীর ঠান্ডা হওয়ার কারণেই সাময়িক স্বস্তি অনুভূত হয়। তাই বৃষ্টিতে ভেজা কিংবা ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল, উভয় ক্ষেত্রেই একই ধরনের আরাম মিলতে পারে। তবে ত্বকে অস্বাভাবিক র্যাশ, তীব্র চুলকানি বা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
বর্ষা এলেই অনেকের বিশ্বাস, বৃষ্টির পানিতে ভিজলে ঘামাচি কমে যায় এবং ত্বকের বিভিন্ন সমস্যাও দূর হয়। তবে চিকিৎসকদের মতে, এই ধারণার পেছনে শক্ত কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ঘামাচি থেকে যে সাময়িক স্বস্তি পাওয়া যায়, তার মূল কারণ বৃষ্টির পানি নয়, বরং শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া।
বিশেষজ্ঞরা জানান, অতিরিক্ত গরমে ঘর্মগ্রন্থির নিঃসরণে বাধা সৃষ্টি হলে বা সেখানে প্রদাহ দেখা দিলে ঘামাচি হয়। বৃষ্টির পানি তুলনামূলক ঠান্ডা হওয়ায় শরীর দ্রুত শীতল হয়। এতে জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তি কিছুটা কমে। একই ধরনের উপকার সাধারণ ঠান্ডা পানি দিয়েও পাওয়া সম্ভব।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, ঘামাচির সমস্যা হলে ঠান্ডা পানিতে গোসল করা, আক্রান্ত স্থানে ঠান্ডা পানি ঢালা অথবা ঠান্ডা ভেজা কাপড় ব্যবহার করলে আরাম পাওয়া যায়। এমনকি মাটির কলসের স্বাভাবিক ঠান্ডা পানিও এ ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে।
অন্যদিকে, বৃষ্টিতে ভেজার পর অবশ্যই পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রুদ্রজিৎ পালের মতে, বৃষ্টিতে ভিজে গোসল করলে ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ হয়—এমন ধারণা সঠিক নয়। তবে শহরের দূষিত বাতাসে থাকা ধুলাবালি, বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ এবং অ্যাসিড বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে ত্বকে লেগে থাকতে পারে। এগুলো ত্বকে র্যাশ, অ্যালার্জি কিংবা জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে। তাই বৃষ্টিতে ভেজার পর পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করে এসব উপাদান ধুয়ে ফেলা উচিত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির পানির কোনো বিশেষ গুণে ঘামাচি সেরে যায় না। শরীর ঠান্ডা হওয়ার কারণেই সাময়িক স্বস্তি অনুভূত হয়। তাই বৃষ্টিতে ভেজা কিংবা ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল, উভয় ক্ষেত্রেই একই ধরনের আরাম মিলতে পারে। তবে ত্বকে অস্বাভাবিক র্যাশ, তীব্র চুলকানি বা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

আপনার মতামত লিখুন