ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

জনগণের দোড়গোড়ায় সেবা,কিশোরগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে তাৎক্ষণিক সমাধান


সৈয়দ মইনুল হোসেন, কিশোরগঞ্জ
সৈয়দ মইনুল হোসেন, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬

জনগণের দোড়গোড়ায় সেবা,কিশোরগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে তাৎক্ষণিক সমাধান

​"শাসন নয়, সেবাই মূল লক্ষ্য"—এই প্রতিজ্ঞাকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত দুঃখ-কষ্ট, অভিযোগ আর নাগরিক সমস্যার তাৎক্ষণিক ও স্থায়ী সমাধানের এক অনন্য নজির সৃষ্টি হলো কিশোরগঞ্জে। আজ বুধবার (১৫ জুলাই ) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এক ব্যতিক্রমী ও প্রাণবন্ত ‘গণশুনানি’। যেখানে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা লাল ফিতার দৌরাত্ম্য ছাড়াই, সরাসরি জেলার অভিভাবকের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের সুখ-দুঃখের কথা বলার সুযোগ পেলেন প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষ। ​কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের এই মহতী আয়োজনে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের প্রতিটি অভিযোগ, আবেদন ও বিভিন্ন সমস্যার কথা পরম ধৈর্য ও গভীর মনোযোগসহকারে শোনেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক  সোহানা নাসরিন।


​বুধবার সকাল থেকেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ভিড় জমতে শুরু করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত সেবাপ্রার্থীর। কেউ এসেছেন জমিজমা সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে, কেউ এসেছেন সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভাতার দাবিতে, আবার কেউ এসেছেন স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের অন্যায় অত্যাচারের প্রতিকার চাইতে।


​গণশুনানি কক্ষটি রূপ নিয়েছিল এক উন্মুক্ত দরবারে, যেখানে ক্ষমতার দাপট নয়, বরং সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বরই ছিল মুখ্য। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন প্রতিটি সাধারণ মানুষের চোখের ভাষা পড়ার চেষ্টা করেছেন, শুনেছেন তাঁদের দীর্ঘশ্বাসের পেছনের গল্পগুলো। শুধু কাগজে-কলমে আবেদন গ্রহণ করেই তিনি দায়িত্ব শেষ করেননি, বরং প্রতিটি বিষয়ের গুরুত্ব বিবেচনা করে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তলব করে কার্যকর ও জনবান্ধব দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।


​গণশুনানির অন্যতম হৃদয়গ্রাহী দৃশ্য তৈরি হয় যখন নিকলী উপজেলা থেকে আসা এক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ তাঁর সরকারি ভাতার কার্ড না পাওয়ার আকুতি তুলে ধরেন। তাঁর জীর্ণশীর্ণ হাত দুটি ধরে জেলা প্রশাসক পরম মমতায় পাশে বসান এবং সমাজসেবা কর্মকর্তাকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাঁর কার্ডটি নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশ দেন। জেলা প্রশাসকের এই সংবেদনশীল আচরণে অশ্রুসজল চোখে বৃদ্ধ বলেন, ​"ভাবছিলাম বড় স্যারের কাছে আমাগো মতো গরিবের কতা পৌঁছাবো না। কিন্তু ডিসি আপা যেভাবে আমার কথা শুনলেন, আমার মনে হইলো দেশের আইন-আদালত এখনো গরিবের পাশে আছে।" ​অনুরূপভাবে, করিমগঞ্জ থেকে আসা এক বিধবা নারী তাঁর বসতভিটা দখলের আশঙ্কার কথা জানালে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ও সীমানা নির্ধারণের নির্দেশ দেন। মুহূর্তের মধ্যে জটিল সব সমস্যার এমন সাবলীল ও মানবিক সমাধান দেখে উপস্থিত সেবাপ্রার্থীদের চোখেমুখে স্বস্তির ও আস্থার আলো ফুটে ওঠে।

​গণশুনানি চলাকালীন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন উপস্থিত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত স্পষ্ট ও জোরালো বার্তা দেন। তিনি বলেন, "

​জনগণই ক্ষমতার উৎস। সরকারি দপ্তরগুলো কোনো অনুগ্রহ করার জায়গা নয়। সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়া আমাদের সাংবিধানিক ও পেশাগত দায়িত্ব। ফাইলের লাল ফিতার বাঁধনে পড়ে যেন কোনো সাধারণ মানুষের জীবন থমকে না যায়। সেবাপ্রার্থীদের দ্রুত, কার্যকর ও জনবান্ধব সেবা প্রদান করতে হবে। সেবা প্রদানে কোনো প্রকার অনিয়ম, অবহেলা বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। সাধারণ মানুষকে বারবার দপ্তরে দপ্তরে ঘোরানো বন্ধ করতে হবে "।

​একই সঙ্গে তিনি প্রতিটি দপ্তরকে গণশুনানিতে আসা আবেদনগুলোর অগ্রগতি নিয়মিত তদারকি করার এবং নিষ্পত্তির প্রতিবেদন দ্রুত জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে প্রেরণের নির্দেশ দেন।


​কিশোরগঞ্জের সচেতন নাগরিক সমাজ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, বর্তমান সময়ে যখন সাধারণ মানুষের সাথে প্রশাসনের দূরত্ব বৃদ্ধির অভিযোগ ওঠে, তখন এই ধরনের সরাসরি গণশুনানি প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ​স্থানীয় এক শিক্ষাবিদ মন্তব্য করেন, " সোহানা নাসরিন কিশোরগঞ্জে যোগদানের পর থেকেই জনবান্ধব প্রশাসনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। আজকের গণশুনানি প্রমাণ করে যে, সদিচ্ছা থাকলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দেয়াল ভেঙে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া সত্যিই সম্ভব।"


​গণশুনানি শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, ​"জেলা প্রশাসন জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য হলো সরকারের সেবাগুলোকে একেবারে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। গণশুনানি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি জনগণের অধিকার আদায়ের একটি উন্মুক্ত মঞ্চ। আমরা চাই কিশোরগঞ্জের প্রতিটি নাগরিক যেন বুক ফুলিয়ে বলতে পারেন—জেলা প্রশাসন আমাদের আশার আলো, আমাদের আস্থার ঠিকানা।"


​আজকের এই সফল গণশুনানি কেবল কিছু অভিযোগের সমাধান করেনি, বরং কিশোরগঞ্জের আপামর জনসাধারণের মনে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে। সাধারণ মানুষ আশা করেন, জেলা প্রশাসনের এই জনবান্ধব ও মানবিক উদ্যোগ আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা হবে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও সেবাধর্মী মডেল জেলা।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


জনগণের দোড়গোড়ায় সেবা,কিশোরগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে তাৎক্ষণিক সমাধান

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

​"শাসন নয়, সেবাই মূল লক্ষ্য"—এই প্রতিজ্ঞাকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত দুঃখ-কষ্ট, অভিযোগ আর নাগরিক সমস্যার তাৎক্ষণিক ও স্থায়ী সমাধানের এক অনন্য নজির সৃষ্টি হলো কিশোরগঞ্জে। আজ বুধবার (১৫ জুলাই ) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এক ব্যতিক্রমী ও প্রাণবন্ত ‘গণশুনানি’। যেখানে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা লাল ফিতার দৌরাত্ম্য ছাড়াই, সরাসরি জেলার অভিভাবকের মুখোমুখি হয়ে নিজেদের সুখ-দুঃখের কথা বলার সুযোগ পেলেন প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষ। ​কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের এই মহতী আয়োজনে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের প্রতিটি অভিযোগ, আবেদন ও বিভিন্ন সমস্যার কথা পরম ধৈর্য ও গভীর মনোযোগসহকারে শোনেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক  সোহানা নাসরিন।


​বুধবার সকাল থেকেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ভিড় জমতে শুরু করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত সেবাপ্রার্থীর। কেউ এসেছেন জমিজমা সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে, কেউ এসেছেন সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভাতার দাবিতে, আবার কেউ এসেছেন স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের অন্যায় অত্যাচারের প্রতিকার চাইতে।


​গণশুনানি কক্ষটি রূপ নিয়েছিল এক উন্মুক্ত দরবারে, যেখানে ক্ষমতার দাপট নয়, বরং সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বরই ছিল মুখ্য। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন প্রতিটি সাধারণ মানুষের চোখের ভাষা পড়ার চেষ্টা করেছেন, শুনেছেন তাঁদের দীর্ঘশ্বাসের পেছনের গল্পগুলো। শুধু কাগজে-কলমে আবেদন গ্রহণ করেই তিনি দায়িত্ব শেষ করেননি, বরং প্রতিটি বিষয়ের গুরুত্ব বিবেচনা করে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তলব করে কার্যকর ও জনবান্ধব দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।


​গণশুনানির অন্যতম হৃদয়গ্রাহী দৃশ্য তৈরি হয় যখন নিকলী উপজেলা থেকে আসা এক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ তাঁর সরকারি ভাতার কার্ড না পাওয়ার আকুতি তুলে ধরেন। তাঁর জীর্ণশীর্ণ হাত দুটি ধরে জেলা প্রশাসক পরম মমতায় পাশে বসান এবং সমাজসেবা কর্মকর্তাকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাঁর কার্ডটি নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশ দেন। জেলা প্রশাসকের এই সংবেদনশীল আচরণে অশ্রুসজল চোখে বৃদ্ধ বলেন, ​"ভাবছিলাম বড় স্যারের কাছে আমাগো মতো গরিবের কতা পৌঁছাবো না। কিন্তু ডিসি আপা যেভাবে আমার কথা শুনলেন, আমার মনে হইলো দেশের আইন-আদালত এখনো গরিবের পাশে আছে।" ​অনুরূপভাবে, করিমগঞ্জ থেকে আসা এক বিধবা নারী তাঁর বসতভিটা দখলের আশঙ্কার কথা জানালে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ও সীমানা নির্ধারণের নির্দেশ দেন। মুহূর্তের মধ্যে জটিল সব সমস্যার এমন সাবলীল ও মানবিক সমাধান দেখে উপস্থিত সেবাপ্রার্থীদের চোখেমুখে স্বস্তির ও আস্থার আলো ফুটে ওঠে।

​গণশুনানি চলাকালীন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন উপস্থিত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত স্পষ্ট ও জোরালো বার্তা দেন। তিনি বলেন, "

​জনগণই ক্ষমতার উৎস। সরকারি দপ্তরগুলো কোনো অনুগ্রহ করার জায়গা নয়। সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়া আমাদের সাংবিধানিক ও পেশাগত দায়িত্ব। ফাইলের লাল ফিতার বাঁধনে পড়ে যেন কোনো সাধারণ মানুষের জীবন থমকে না যায়। সেবাপ্রার্থীদের দ্রুত, কার্যকর ও জনবান্ধব সেবা প্রদান করতে হবে। সেবা প্রদানে কোনো প্রকার অনিয়ম, অবহেলা বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। সাধারণ মানুষকে বারবার দপ্তরে দপ্তরে ঘোরানো বন্ধ করতে হবে "।

​একই সঙ্গে তিনি প্রতিটি দপ্তরকে গণশুনানিতে আসা আবেদনগুলোর অগ্রগতি নিয়মিত তদারকি করার এবং নিষ্পত্তির প্রতিবেদন দ্রুত জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে প্রেরণের নির্দেশ দেন।


​কিশোরগঞ্জের সচেতন নাগরিক সমাজ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, বর্তমান সময়ে যখন সাধারণ মানুষের সাথে প্রশাসনের দূরত্ব বৃদ্ধির অভিযোগ ওঠে, তখন এই ধরনের সরাসরি গণশুনানি প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ​স্থানীয় এক শিক্ষাবিদ মন্তব্য করেন, " সোহানা নাসরিন কিশোরগঞ্জে যোগদানের পর থেকেই জনবান্ধব প্রশাসনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। আজকের গণশুনানি প্রমাণ করে যে, সদিচ্ছা থাকলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দেয়াল ভেঙে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া সত্যিই সম্ভব।"


​গণশুনানি শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, ​"জেলা প্রশাসন জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য হলো সরকারের সেবাগুলোকে একেবারে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। গণশুনানি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি জনগণের অধিকার আদায়ের একটি উন্মুক্ত মঞ্চ। আমরা চাই কিশোরগঞ্জের প্রতিটি নাগরিক যেন বুক ফুলিয়ে বলতে পারেন—জেলা প্রশাসন আমাদের আশার আলো, আমাদের আস্থার ঠিকানা।"


​আজকের এই সফল গণশুনানি কেবল কিছু অভিযোগের সমাধান করেনি, বরং কিশোরগঞ্জের আপামর জনসাধারণের মনে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে। সাধারণ মানুষ আশা করেন, জেলা প্রশাসনের এই জনবান্ধব ও মানবিক উদ্যোগ আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা হবে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও সেবাধর্মী মডেল জেলা।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ