কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পঁচা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে দোকান থেকে জব্দ করা প্রায় দুই বস্তা পঁচা গরুর মাংস জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কটিয়াদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবনী আক্তার তারানার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে প্রশাসনের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি মাংসের দোকানে দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমানের ও পঁচা গরুর মাংস বিক্রি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় দোকানে সংরক্ষিত মাংস পরীক্ষা করে তা পঁচা ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকার মাংস ব্যবসায়ী শারফিন কসাইয়ের দোকান থেকে প্রায় দুই বস্তা পঁচা গরুর মাংস জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে জব্দ করা মাংস জনস্বার্থে মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়, যাতে তা কোনোভাবেই বাজারে ফিরে যেতে না পারে। অভিযান শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সন্দেহজনক বা অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বিক্রির তথ্য দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে আহ্বান জানানো হয়।
অভিযানের সময় উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই দোকানের মাংসের মান নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ ছিল। অনেক ক্রেতাই মাংস থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার অভিযোগ করলেও বিষয়টি নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবশেষে প্রশাসনের অভিযানে পঁচা মাংস জব্দ হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবনী আক্তার তারানা বলেন, “গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানে পঁচা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং উদ্ধার হওয়া পঁচা মাংস ধ্বংস করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা প্রতারণা বরদাশত করা হবে না। ভেজাল, নিম্নমানের ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বিক্রির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’’

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পঁচা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে দোকান থেকে জব্দ করা প্রায় দুই বস্তা পঁচা গরুর মাংস জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কটিয়াদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবনী আক্তার তারানার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে প্রশাসনের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি মাংসের দোকানে দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমানের ও পঁচা গরুর মাংস বিক্রি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় দোকানে সংরক্ষিত মাংস পরীক্ষা করে তা পঁচা ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকার মাংস ব্যবসায়ী শারফিন কসাইয়ের দোকান থেকে প্রায় দুই বস্তা পঁচা গরুর মাংস জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে জব্দ করা মাংস জনস্বার্থে মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়, যাতে তা কোনোভাবেই বাজারে ফিরে যেতে না পারে। অভিযান শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সন্দেহজনক বা অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বিক্রির তথ্য দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে আহ্বান জানানো হয়।
অভিযানের সময় উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই দোকানের মাংসের মান নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ ছিল। অনেক ক্রেতাই মাংস থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার অভিযোগ করলেও বিষয়টি নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবশেষে প্রশাসনের অভিযানে পঁচা মাংস জব্দ হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবনী আক্তার তারানা বলেন, “গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানে পঁচা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং উদ্ধার হওয়া পঁচা মাংস ধ্বংস করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা প্রতারণা বরদাশত করা হবে না। ভেজাল, নিম্নমানের ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বিক্রির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’’

আপনার মতামত লিখুন