লালমনিরহাটের তিস্তা ও ধরলাসহ প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রীসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করেছে।
আজ ১৪ জুলাই দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সর্বশেষ পরিমাপ অনুযায়ী তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে এবং ধরলা নদীর পানি শিমুলবাড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার পাঁচটি উপজেলায় ইতোমধ্যে সরকারি ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ ও মজুদ নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর মধ্যে আদিতমারী উপজেলায় ৩৫ মেট্রিক টন চাল ও ৩০০ প্যাকেট শুকনা খাবার, লালমনিরহাট সদরে ৭৯ মেট্রিক টন চাল ও ৬০০ প্যাকেট শুকনা খাবার, হাতীবান্ধা উপজেলায় ১১৫ টন চাল, নগদ ৩ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা ও ৩২০ প্যাকেট শুকনা খাবার এবং পাটগ্রাম উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ৬০ মেট্রিক টন চাল ও ৩০০ প্যাকেট শুকনা খাবার মজুদ রয়েছে। এছাড়া কালীগঞ্জ উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও এলাকার সঠিক সংখ্যা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে, যা শেষ হওয়া মাত্রই দ্রুত বরাদ্দ দেওয়া হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক মুহঃ রাশেদুল হক প্রধান জানান, জেলা প্রশাসন বন্যাসহ যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে। ত্রাণ বিতরণে শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে এই ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হবে।
জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে প্রকৃত দুর্গত মানুষের কাছে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
লালমনিরহাটের তিস্তা ও ধরলাসহ প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রীসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করেছে।
আজ ১৪ জুলাই দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সর্বশেষ পরিমাপ অনুযায়ী তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে এবং ধরলা নদীর পানি শিমুলবাড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার পাঁচটি উপজেলায় ইতোমধ্যে সরকারি ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ ও মজুদ নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর মধ্যে আদিতমারী উপজেলায় ৩৫ মেট্রিক টন চাল ও ৩০০ প্যাকেট শুকনা খাবার, লালমনিরহাট সদরে ৭৯ মেট্রিক টন চাল ও ৬০০ প্যাকেট শুকনা খাবার, হাতীবান্ধা উপজেলায় ১১৫ টন চাল, নগদ ৩ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা ও ৩২০ প্যাকেট শুকনা খাবার এবং পাটগ্রাম উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ৬০ মেট্রিক টন চাল ও ৩০০ প্যাকেট শুকনা খাবার মজুদ রয়েছে। এছাড়া কালীগঞ্জ উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও এলাকার সঠিক সংখ্যা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে, যা শেষ হওয়া মাত্রই দ্রুত বরাদ্দ দেওয়া হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক মুহঃ রাশেদুল হক প্রধান জানান, জেলা প্রশাসন বন্যাসহ যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে। ত্রাণ বিতরণে শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে এই ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হবে।
জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে প্রকৃত দুর্গত মানুষের কাছে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

আপনার মতামত লিখুন