বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আলোচনায় উঠে এসেছে বর্ণবাদবিরোধী অবস্থানও। স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয়ের বিতর্কিত মন্তব্যের জবাবে ফ্রান্সের তরুণ মিডফিল্ডার ওয়ারেন জাইরে এমেরি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ফ্রান্সের জাতীয় দল দেশটির বৈচিত্র্য, ঐক্য এবং সমতার প্রতীক।
সম্প্রতি রাহয় দাবি করেন, ‘ফ্রান্স দলে কোনো ফরাসি খেলোয়াড় নেই।’ মূলত আফ্রিকান ও অভিবাসী বংশোদ্ভূত ফুটবলারদের উদ্দেশ্য করে দেওয়া এই মন্তব্য ইউরোপজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। ফ্রান্স সরকার, দেশটির ফুটবল ফেডারেশন এবং স্পেনের বর্তমান সরকারের প্রতিনিধিরাও মন্তব্যটিকে বর্ণবাদী ও বিভাজনমূলক বলে নিন্দা জানান।
এমন পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ২০ বছর বয়সী জাইরে এমেরি বলেন, ‘আমরা সবাই ফ্রান্সের প্রতিনিধিত্ব করি। আমাদের দলে বিভিন্ন পটভূমির খেলোয়াড় রয়েছে, আর সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আমরা একসঙ্গে আছি, এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনের (পিএসজি) এই মিডফিল্ডার আরও বলেন, ‘এ ধরনের মন্তব্য আমাদের মনোযোগ নষ্ট করতে পারবে না। আমরা মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই এর জবাব দিতে চাই।’
রাহয়ের মন্তব্যের পর ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ নোয়েল বারো বলেন, ‘ফরাসি হওয়া কখনোই ত্বকের রং বা বংশের ওপর নির্ভর করে না।’ একই সুরে ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফিলিপ দিয়ালোও মন্তব্যটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে আখ্যা দেন। অন্যদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ পরোক্ষভাবে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে বার্তা দিয়ে বলেন, ‘বর্ণবাদ পরাজিত হোক।’
ডালাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে স্পেন ও ফ্রান্সের মহারণ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। তবে ম্যাচের আগে কৌশল ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি বর্ণবাদবিরোধী অবস্থানও আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। জাইরে এমেরির ভাষায়, মাঠের ভেতরে ও বাইরে ঐক্যই ফ্রান্স দলের প্রকৃত পরিচয়।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আলোচনায় উঠে এসেছে বর্ণবাদবিরোধী অবস্থানও। স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয়ের বিতর্কিত মন্তব্যের জবাবে ফ্রান্সের তরুণ মিডফিল্ডার ওয়ারেন জাইরে এমেরি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ফ্রান্সের জাতীয় দল দেশটির বৈচিত্র্য, ঐক্য এবং সমতার প্রতীক।
সম্প্রতি রাহয় দাবি করেন, ‘ফ্রান্স দলে কোনো ফরাসি খেলোয়াড় নেই।’ মূলত আফ্রিকান ও অভিবাসী বংশোদ্ভূত ফুটবলারদের উদ্দেশ্য করে দেওয়া এই মন্তব্য ইউরোপজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। ফ্রান্স সরকার, দেশটির ফুটবল ফেডারেশন এবং স্পেনের বর্তমান সরকারের প্রতিনিধিরাও মন্তব্যটিকে বর্ণবাদী ও বিভাজনমূলক বলে নিন্দা জানান।
এমন পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ২০ বছর বয়সী জাইরে এমেরি বলেন, ‘আমরা সবাই ফ্রান্সের প্রতিনিধিত্ব করি। আমাদের দলে বিভিন্ন পটভূমির খেলোয়াড় রয়েছে, আর সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আমরা একসঙ্গে আছি, এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনের (পিএসজি) এই মিডফিল্ডার আরও বলেন, ‘এ ধরনের মন্তব্য আমাদের মনোযোগ নষ্ট করতে পারবে না। আমরা মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই এর জবাব দিতে চাই।’
রাহয়ের মন্তব্যের পর ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ নোয়েল বারো বলেন, ‘ফরাসি হওয়া কখনোই ত্বকের রং বা বংশের ওপর নির্ভর করে না।’ একই সুরে ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফিলিপ দিয়ালোও মন্তব্যটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে আখ্যা দেন। অন্যদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ পরোক্ষভাবে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে বার্তা দিয়ে বলেন, ‘বর্ণবাদ পরাজিত হোক।’
ডালাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে স্পেন ও ফ্রান্সের মহারণ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। তবে ম্যাচের আগে কৌশল ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি বর্ণবাদবিরোধী অবস্থানও আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। জাইরে এমেরির ভাষায়, মাঠের ভেতরে ও বাইরে ঐক্যই ফ্রান্স দলের প্রকৃত পরিচয়।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন