টানা অতিবৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত টেকনাফ উপজেলার উপকূলীয় শাহপরীরদ্বীপ এলাকার ১০০টি পানিবন্দি ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল ৪টায় শাহপরীরদ্বীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে চাল, ডাল, ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর উদ্যোগে পরিচালিত এ কর্মসূচি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় বাস্তবায়ন করা হয়। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবেই এই মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
ত্রাণসামগ্রী পেয়ে উপকারভোগীরা বিজিবির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, টানা বৃষ্টির কারণে তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে বিজিবির এই সহায়তা তাদের জন্য স্বস্তি ও আশার বার্তা হয়ে এসেছে।
এ সময় টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, “বিজিবি হবে সীমান্তে নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক”—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি যেকোনো দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্থানীয়রা জানান, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিজিবি যে মানবিক দায়িত্ব পালন করছে, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
টানা অতিবৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত টেকনাফ উপজেলার উপকূলীয় শাহপরীরদ্বীপ এলাকার ১০০টি পানিবন্দি ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল ৪টায় শাহপরীরদ্বীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে চাল, ডাল, ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর উদ্যোগে পরিচালিত এ কর্মসূচি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় বাস্তবায়ন করা হয়। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবেই এই মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
ত্রাণসামগ্রী পেয়ে উপকারভোগীরা বিজিবির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, টানা বৃষ্টির কারণে তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে বিজিবির এই সহায়তা তাদের জন্য স্বস্তি ও আশার বার্তা হয়ে এসেছে।
এ সময় টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, “বিজিবি হবে সীমান্তে নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক”—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি যেকোনো দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্থানীয়রা জানান, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিজিবি যে মানবিক দায়িত্ব পালন করছে, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

আপনার মতামত লিখুন