নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার টুনিরহাট এলাকায় এক অপ্রাপ্তবয়স্ক অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে একটি মহিলা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুস সালাম (৪৫) একটি মাইক্রোবাস নিয়ে ওই ছাত্রীর বাড়ির সামনে যান। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ছাত্রীকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিষয়টি টের পেয়ে এলাকাবাসী তাকে আটক করেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আটকে রাখে। খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষকের দুটি স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মাদ্রাসার ১৭ বছর বয়সী এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। পরে ওই শিক্ষক ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যান। সে ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হলে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান।
স্থানীয়দের দাবি, আদালত থেকে মুক্তি পাওয়ার পরপরই তিনি আবার ওই ছাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন এবং রাতে তাকে তুলে নেওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়িতে যান। এ সময় এলাকাবাসী তাকে হাতেনাতে আটক করেন।
পরিবারের দাবি, ভুক্তভোগী ১৭ বছর বয়সী ছাত্রী বর্তমানে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ডিমলা থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার টুনিরহাট এলাকায় এক অপ্রাপ্তবয়স্ক অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে একটি মহিলা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুস সালাম (৪৫) একটি মাইক্রোবাস নিয়ে ওই ছাত্রীর বাড়ির সামনে যান। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ছাত্রীকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিষয়টি টের পেয়ে এলাকাবাসী তাকে আটক করেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আটকে রাখে। খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষকের দুটি স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মাদ্রাসার ১৭ বছর বয়সী এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। পরে ওই শিক্ষক ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যান। সে ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হলে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান।
স্থানীয়দের দাবি, আদালত থেকে মুক্তি পাওয়ার পরপরই তিনি আবার ওই ছাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন এবং রাতে তাকে তুলে নেওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়িতে যান। এ সময় এলাকাবাসী তাকে হাতেনাতে আটক করেন।
পরিবারের দাবি, ভুক্তভোগী ১৭ বছর বয়সী ছাত্রী বর্তমানে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ডিমলা থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন