খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ১০ বছরের এক শিশুকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার অভিযোগে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনাটি ঘটে গত ৫ জুলাই রবিবার বিকেলে, খুলনা জেলার Dumuria Upazila-এর শলুয়া ঘোনার দাঁড়া এলাকায়। অভিযোগ অনুযায়ী, শিশুটিকে মাদ্রাসার পাশের গরু বাঁধার খুঁটির সঙ্গে লোহার শিকলে বেঁধে রাখা হয়।
ভুক্তভোগী শিশুর নাম রিয়াজুল (১০)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনমজুর বাবা ছেলেকে হাফেজ বানানোর উদ্দেশ্যে স্থানীয় হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসায় ভর্তি করান। তবে অভিযোগ উঠেছে, মাদ্রাসার মুহতামিম শিশুটিকে ব্যক্তিগত কাজ করাতেন এবং গরু-ছাগল চরানোসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতেন। এসব কাজে আপত্তি জানালে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিশুটি প্রায়ই মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়ি চলে আসত। ঘটনার দিন বিকেলে তাকে খুঁজতে গিয়ে তার মা রত্না বেগম ও পরিবারের সদস্যরা মাদ্রাসার পাশেই শিশুটিকে শিকলবন্দি অবস্থায় দেখতে পান।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি ওঠে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে।
এ বিষয়ে আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হালিমুর রহমান জানান, শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শিশু আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় নিরাপত্তা ও শিশু সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এ ঘটনায় শিশুটির শারীরিক ও মানসিক অবস্থার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এ ধরনের নির্যাতন দীর্ঘমেয়াদে শিশুদের মানসিক বিকাশে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ১০ বছরের এক শিশুকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার অভিযোগে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনাটি ঘটে গত ৫ জুলাই রবিবার বিকেলে, খুলনা জেলার Dumuria Upazila-এর শলুয়া ঘোনার দাঁড়া এলাকায়। অভিযোগ অনুযায়ী, শিশুটিকে মাদ্রাসার পাশের গরু বাঁধার খুঁটির সঙ্গে লোহার শিকলে বেঁধে রাখা হয়।
ভুক্তভোগী শিশুর নাম রিয়াজুল (১০)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনমজুর বাবা ছেলেকে হাফেজ বানানোর উদ্দেশ্যে স্থানীয় হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসায় ভর্তি করান। তবে অভিযোগ উঠেছে, মাদ্রাসার মুহতামিম শিশুটিকে ব্যক্তিগত কাজ করাতেন এবং গরু-ছাগল চরানোসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতেন। এসব কাজে আপত্তি জানালে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিশুটি প্রায়ই মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়ি চলে আসত। ঘটনার দিন বিকেলে তাকে খুঁজতে গিয়ে তার মা রত্না বেগম ও পরিবারের সদস্যরা মাদ্রাসার পাশেই শিশুটিকে শিকলবন্দি অবস্থায় দেখতে পান।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি ওঠে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে।
এ বিষয়ে আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হালিমুর রহমান জানান, শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শিশু আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় নিরাপত্তা ও শিশু সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এ ঘটনায় শিশুটির শারীরিক ও মানসিক অবস্থার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এ ধরনের নির্যাতন দীর্ঘমেয়াদে শিশুদের মানসিক বিকাশে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন