দেশের ৮৭টি সরকারি হাসপাতালে ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা, ফার্মেসির ওষুধ বিতরণ ও ট্র্যাকিং, সেবামূল্য আদায় এবং রেফারেল সেবা সমন্বিত পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল অটোমেশন ব্যবস্থা চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন-১৭-এর সদস্য সুলতানা আহমেদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের ৬১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ১৪টি জেলা হাসপাতাল, দুটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ১০টি জাতীয় পর্যায়ের হাসপাতালে এ সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।
তিনি জানান, ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ফলে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও রোগী সবাই উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাচ্ছেন। রোগীর তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকায় পূর্বের চিকিৎসা ইতিহাস সহজেই ব্যবহার করা যাচ্ছে। ফলে একই পরীক্ষা বা নথিপত্র বারবার করতে হচ্ছে না, যা রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে সহায়তা করছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সব ধরনের সেবামূল্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার কারণে সরকারি রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে।
রোগীর সম্মতির ভিত্তিতে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য স্থানান্তরের সুযোগ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে রোগীদের আর চিকিৎসার কাগজপত্র বহন করার প্রয়োজন পড়ছে না।
সংসদে বক্তব্যে সরকারের ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে রোগীরা হাসপাতালের কাউন্টারে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে ঘরে বসেই টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। ডিজিটাল টিকিট ব্যবহার করে সরাসরি বহির্বিভাগে চিকিৎসকের সেবা গ্রহণও সম্ভব হচ্ছে।
বর্তমানে দেশের ১৫টি হাসপাতালে ই-টিকিটিং সেবা চালু রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব হাসপাতালে এই সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সমন্বিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা সারা দেশে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনে পর্যালোচনাধীন রয়েছে। অনুমোদনের জন্য এটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বিবেচনার অপেক্ষায় আছে।
প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে ধাপে ধাপে দেশের সব স্তরের হাসপাতালকে সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া ডিপিপি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে একটি পাইলট কারিগরি সহায়তা প্রকল্প (টিএপিপি) প্রণয়ন করা হয়েছে। এর আওতায় পাঁচটি জেলায় ইউনিক হেলথ আইডি, ই-হেলথ কার্ড এবং সমন্বিত অটোমেশন সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
দেশের ৮৭টি সরকারি হাসপাতালে ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা, ফার্মেসির ওষুধ বিতরণ ও ট্র্যাকিং, সেবামূল্য আদায় এবং রেফারেল সেবা সমন্বিত পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল অটোমেশন ব্যবস্থা চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন-১৭-এর সদস্য সুলতানা আহমেদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের ৬১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ১৪টি জেলা হাসপাতাল, দুটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ১০টি জাতীয় পর্যায়ের হাসপাতালে এ সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।
তিনি জানান, ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ফলে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও রোগী সবাই উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাচ্ছেন। রোগীর তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকায় পূর্বের চিকিৎসা ইতিহাস সহজেই ব্যবহার করা যাচ্ছে। ফলে একই পরীক্ষা বা নথিপত্র বারবার করতে হচ্ছে না, যা রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে সহায়তা করছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সব ধরনের সেবামূল্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার কারণে সরকারি রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে।
রোগীর সম্মতির ভিত্তিতে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য স্থানান্তরের সুযোগ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে রোগীদের আর চিকিৎসার কাগজপত্র বহন করার প্রয়োজন পড়ছে না।
সংসদে বক্তব্যে সরকারের ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে রোগীরা হাসপাতালের কাউন্টারে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে ঘরে বসেই টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। ডিজিটাল টিকিট ব্যবহার করে সরাসরি বহির্বিভাগে চিকিৎসকের সেবা গ্রহণও সম্ভব হচ্ছে।
বর্তমানে দেশের ১৫টি হাসপাতালে ই-টিকিটিং সেবা চালু রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব হাসপাতালে এই সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সমন্বিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা সারা দেশে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনে পর্যালোচনাধীন রয়েছে। অনুমোদনের জন্য এটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বিবেচনার অপেক্ষায় আছে।
প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে ধাপে ধাপে দেশের সব স্তরের হাসপাতালকে সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া ডিপিপি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে একটি পাইলট কারিগরি সহায়তা প্রকল্প (টিএপিপি) প্রণয়ন করা হয়েছে। এর আওতায় পাঁচটি জেলায় ইউনিক হেলথ আইডি, ই-হেলথ কার্ড এবং সমন্বিত অটোমেশন সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন