বর্ষা ও গ্রীষ্ম মৌসুমে সহজলভ্য দুই পুষ্টিকর উপাদান কাঁঠালের বিচি ও পাটশাক। এই দুই উপকরণের সমন্বয়ে তৈরি করা যায় দারুণ সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর একটি ভাজি। এর সঙ্গে চিংড়ি মাছ ও নারকেলের হালকা সুবাস যোগ হলে খাবারটির স্বাদ হয়ে ওঠে আরও অনন্য। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করলে এটি সহজেই পরিবারের সবার পছন্দের পদ হয়ে উঠতে পারে।
প্রথমে কাঁঠালের বিচিগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করে পাতলা করে কেটে নিন। এরপর পাটশাক ধুয়ে পানি ঝরিয়ে মিহি করে কুচি করে রাখুন।
চুলায় একটি কড়াই বসিয়ে তেল গরম করুন। তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি, রসুন কুচি, নারকেল বাটা, চিংড়ি মাছ, হলুদ গুঁড়া ও লবণ একসঙ্গে দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন।
মসলার সুবাস বের হলে কাঁঠালের বিচি যোগ করুন। এরপর আধা কাপ পানি দিয়ে ঢেকে দিন এবং বিচি নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
বিচি সেদ্ধ হয়ে এলে পাটশাক, কাঁচামরিচ ও বোম্বাই মরিচ কুচি দিয়ে মাঝারি আঁচে নেড়ে রান্না করুন। শাকের পানি শুকিয়ে গেলে এবং সব উপকরণ মসলার সঙ্গে ভালোভাবে মিশে ভাজা ভাজা হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।
ধোঁয়া ওঠা গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার কাঁঠালের বিচি ও পাটশাক ভাজি। চাইলে সঙ্গে লেবু বা কাঁচামরিচ রাখতে পারেন, যা স্বাদ আরও বাড়িয়ে দেবে।
মৌসুমি ও সহজলভ্য উপকরণে তৈরি এই পদটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। গ্রামীণ রান্নার ঐতিহ্য বহন করা এই ভাজি প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় সহজেই আনতে পারে নতুনত্ব।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
বর্ষা ও গ্রীষ্ম মৌসুমে সহজলভ্য দুই পুষ্টিকর উপাদান কাঁঠালের বিচি ও পাটশাক। এই দুই উপকরণের সমন্বয়ে তৈরি করা যায় দারুণ সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর একটি ভাজি। এর সঙ্গে চিংড়ি মাছ ও নারকেলের হালকা সুবাস যোগ হলে খাবারটির স্বাদ হয়ে ওঠে আরও অনন্য। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করলে এটি সহজেই পরিবারের সবার পছন্দের পদ হয়ে উঠতে পারে।
প্রথমে কাঁঠালের বিচিগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করে পাতলা করে কেটে নিন। এরপর পাটশাক ধুয়ে পানি ঝরিয়ে মিহি করে কুচি করে রাখুন।
চুলায় একটি কড়াই বসিয়ে তেল গরম করুন। তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি, রসুন কুচি, নারকেল বাটা, চিংড়ি মাছ, হলুদ গুঁড়া ও লবণ একসঙ্গে দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন।
মসলার সুবাস বের হলে কাঁঠালের বিচি যোগ করুন। এরপর আধা কাপ পানি দিয়ে ঢেকে দিন এবং বিচি নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
বিচি সেদ্ধ হয়ে এলে পাটশাক, কাঁচামরিচ ও বোম্বাই মরিচ কুচি দিয়ে মাঝারি আঁচে নেড়ে রান্না করুন। শাকের পানি শুকিয়ে গেলে এবং সব উপকরণ মসলার সঙ্গে ভালোভাবে মিশে ভাজা ভাজা হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।
ধোঁয়া ওঠা গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার কাঁঠালের বিচি ও পাটশাক ভাজি। চাইলে সঙ্গে লেবু বা কাঁচামরিচ রাখতে পারেন, যা স্বাদ আরও বাড়িয়ে দেবে।
মৌসুমি ও সহজলভ্য উপকরণে তৈরি এই পদটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। গ্রামীণ রান্নার ঐতিহ্য বহন করা এই ভাজি প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় সহজেই আনতে পারে নতুনত্ব।

আপনার মতামত লিখুন