সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর জনসভায় গ্রেনেড হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ জি কে গউছসহ ১০ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল হোসেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। আসামিদের মধ্যে ছয়জন কারাগারে, তিনজন জামিনে এবং একজন পলাতক ছিলেন।
চলতি বছরের এপ্রিলে বহুল আলোচিত এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর গত ৭ এপ্রিল ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে বক্তব্য জানতে চান বিচারক। শুনানিতে অংশ নিয়ে অভিযুক্তরা নিজেদের সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর নির্বাচনি এলাকায় আয়োজিত এক রাজনৈতিক সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সে সময় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। আকস্মিক বিস্ফোরণে যুবলীগের এক কর্মী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং অন্তত ২৯ জন গুরুতর আহত হন। তবে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
ঘটনার পর দিরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ ২২ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর জনসভায় গ্রেনেড হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ জি কে গউছসহ ১০ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল হোসেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। আসামিদের মধ্যে ছয়জন কারাগারে, তিনজন জামিনে এবং একজন পলাতক ছিলেন।
চলতি বছরের এপ্রিলে বহুল আলোচিত এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর গত ৭ এপ্রিল ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে বক্তব্য জানতে চান বিচারক। শুনানিতে অংশ নিয়ে অভিযুক্তরা নিজেদের সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর নির্বাচনি এলাকায় আয়োজিত এক রাজনৈতিক সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সে সময় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। আকস্মিক বিস্ফোরণে যুবলীগের এক কর্মী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং অন্তত ২৯ জন গুরুতর আহত হন। তবে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
ঘটনার পর দিরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ ২২ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

আপনার মতামত লিখুন