নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় রহস্যজনক মৃত্যুর প্রায় ১০ মাস পর আদালতের নির্দেশে ৩ বছর বয়সী শিশু নাঈমের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়া পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মো. রাশেদের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ সময় জেলা সিআইডি, থানা পুলিশ, ডিএসবি এবং মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
মরদেহ উত্তোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহত শিশুর স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর শিশুটি মারা যায়। সে সময় মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়; বরং এর পেছনে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জড়িত থাকতে পারে। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মামলা-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার পর আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তের বিভিন্ন ধাপ শেষে আদালত পুনঃতদন্তের স্বার্থে মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার সিআইডিকে দেওয়া হয়।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মরদেহের ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় ফরেনসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে স্থানীয়রা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় রহস্যজনক মৃত্যুর প্রায় ১০ মাস পর আদালতের নির্দেশে ৩ বছর বয়সী শিশু নাঈমের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়া পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মো. রাশেদের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ সময় জেলা সিআইডি, থানা পুলিশ, ডিএসবি এবং মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
মরদেহ উত্তোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহত শিশুর স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর শিশুটি মারা যায়। সে সময় মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়; বরং এর পেছনে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জড়িত থাকতে পারে। অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মামলা-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার পর আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তের বিভিন্ন ধাপ শেষে আদালত পুনঃতদন্তের স্বার্থে মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার সিআইডিকে দেওয়া হয়।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মরদেহের ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় ফরেনসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে স্থানীয়রা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন