ঢাকা    মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে যেভাবে মধ্যস্থতায় পাকিস্তান


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে যেভাবে মধ্যস্থতায় পাকিস্তান

দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও ভেঙে পড়ার মুখে থাকা একাধিক শান্তি আলোচনার পর অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতা ও কূটনৈতিক ভূমিকা ছিল নির্ধারক বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।

তিনি জানান, আলোচনার শেষ পর্যায়ে একাধিকবার চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের ধারাবাহিক যোগাযোগ ও সক্রিয় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখে।

শেহবাজ শরিফের ভাষ্য অনুযায়ী, তিন মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে হাজারো মানুষের প্রাণহানি ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। এই সংকট কাটিয়ে ওঠার পথে পাকিস্তান, চীন, কাতার, সৌদি আরব ও তুরস্কের কূটনৈতিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চুক্তির আওতায় লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ, হরমুজ প্রণালিতে চলাচল স্বাভাবিক করা এবং ইরানের কিছু জব্দ সম্পদ ধাপে ধাপে মুক্তির বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে আলোচনা চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তবে চুক্তির তথ্য ও শর্তাবলি নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে এখনো অস্পষ্টতা ও অনিশ্চয়তা রয়েছে। শেষ মুহূর্তে বৈরুতে হামলার ঘটনায় উত্তেজনা তৈরি হলেও পরে আলোচনায় অগ্রগতি ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।

পাকিস্তানি কর্মকর্তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পুরো প্রক্রিয়ার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি, ফলে চুক্তি বাস্তবায়ন ও মধ্যস্থতার প্রকৃত কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

#আর ইউ এস

বিষয় : ইরান যুদ্ধ

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে যেভাবে মধ্যস্থতায় পাকিস্তান

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও ভেঙে পড়ার মুখে থাকা একাধিক শান্তি আলোচনার পর অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতা ও কূটনৈতিক ভূমিকা ছিল নির্ধারক বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।

তিনি জানান, আলোচনার শেষ পর্যায়ে একাধিকবার চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের ধারাবাহিক যোগাযোগ ও সক্রিয় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখে।

শেহবাজ শরিফের ভাষ্য অনুযায়ী, তিন মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে হাজারো মানুষের প্রাণহানি ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। এই সংকট কাটিয়ে ওঠার পথে পাকিস্তান, চীন, কাতার, সৌদি আরব ও তুরস্কের কূটনৈতিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চুক্তির আওতায় লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ, হরমুজ প্রণালিতে চলাচল স্বাভাবিক করা এবং ইরানের কিছু জব্দ সম্পদ ধাপে ধাপে মুক্তির বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে আলোচনা চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তবে চুক্তির তথ্য ও শর্তাবলি নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে এখনো অস্পষ্টতা ও অনিশ্চয়তা রয়েছে। শেষ মুহূর্তে বৈরুতে হামলার ঘটনায় উত্তেজনা তৈরি হলেও পরে আলোচনায় অগ্রগতি ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।

পাকিস্তানি কর্মকর্তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পুরো প্রক্রিয়ার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি, ফলে চুক্তি বাস্তবায়ন ও মধ্যস্থতার প্রকৃত কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

#আর ইউ এস


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ