বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “যথেষ্ট হয়েছে। হুমায়ুন কবীরের মতো লোকজনকে ‘শিক্ষা’ দেওয়ার সময় এসেছে।”
সোমবার (২৯ জুন) পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রেজিনগর ও শক্তিপুরে হুমায়ুন কবীরের দেওয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে দুটি এফআইআর দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি হুমায়ুনকে ভবিষ্যতে সংযত থাকারও আহ্বান জানান।
তবে হুমায়ুন কবীর দাবি করেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে শুভেন্দু অধিকারীকে উদ্দেশ্য করে কোনো মন্তব্য করেননি। প্রয়োজনে তাকে গ্রেফতার করা হলে আইনগতভাবেই বিষয়টি মোকাবিলা করবেন বলেও জানান তিনি।
বিধানসভায় শুভেন্দু প্রথমে হুমায়ুনের দুটি বক্তব্য পড়ে শোনান। এরপর তিনি বলেন, এসব ঘটনার পর সরকার মনে করেছে, “এনাফ ইজ এনাফ”, এখন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সময় এসেছে।
তিনি আরও বলেন, “আপনাকে স্পষ্ট করে বলছি, এভাবে হুমকি, বেপরোয়া ও লাগামছাড়া বক্তব্য আর বলতে দেওয়া হবে না।”
শুভেন্দুর দাবি, ২৬ জুন রেজিনগরের ঘটনার পর স্থানীয় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া শক্তিপুরের ঘটনায়ও পৃথক আরেকটি মামলা হয়েছে। দুটি মামলাতেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
হুমায়ুন কবীরের বক্তব্যের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন শুভেন্দু। তার ভাষ্য, প্রথমত স্থানীয় পঞ্চায়েতগুলোকে নিজের রাজনৈতিক প্রভাবের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। দ্বিতীয়ত, রেজিনগর বিধানসভা আসনের সম্ভাব্য উপনির্বাচনে নিজের ছেলেকে প্রার্থী করে জেতানোর লক্ষ্যেই সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের চেষ্টা করছেন হুমায়ুন।
তিনি বলেন, রেজিনগর আসনে মুসলিম ভোটার সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোট একদিকে টানতেই এসব বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে বলে তার ধারণা।
শেষে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কান খুলে শুনে রাখুন, এভাবে হুমকি বা লাগামছাড়া বক্তব্য আর বলতে দেওয়া হবে না।”

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “যথেষ্ট হয়েছে। হুমায়ুন কবীরের মতো লোকজনকে ‘শিক্ষা’ দেওয়ার সময় এসেছে।”
সোমবার (২৯ জুন) পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রেজিনগর ও শক্তিপুরে হুমায়ুন কবীরের দেওয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে দুটি এফআইআর দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি হুমায়ুনকে ভবিষ্যতে সংযত থাকারও আহ্বান জানান।
তবে হুমায়ুন কবীর দাবি করেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে শুভেন্দু অধিকারীকে উদ্দেশ্য করে কোনো মন্তব্য করেননি। প্রয়োজনে তাকে গ্রেফতার করা হলে আইনগতভাবেই বিষয়টি মোকাবিলা করবেন বলেও জানান তিনি।
বিধানসভায় শুভেন্দু প্রথমে হুমায়ুনের দুটি বক্তব্য পড়ে শোনান। এরপর তিনি বলেন, এসব ঘটনার পর সরকার মনে করেছে, “এনাফ ইজ এনাফ”, এখন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সময় এসেছে।
তিনি আরও বলেন, “আপনাকে স্পষ্ট করে বলছি, এভাবে হুমকি, বেপরোয়া ও লাগামছাড়া বক্তব্য আর বলতে দেওয়া হবে না।”
শুভেন্দুর দাবি, ২৬ জুন রেজিনগরের ঘটনার পর স্থানীয় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া শক্তিপুরের ঘটনায়ও পৃথক আরেকটি মামলা হয়েছে। দুটি মামলাতেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
হুমায়ুন কবীরের বক্তব্যের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন শুভেন্দু। তার ভাষ্য, প্রথমত স্থানীয় পঞ্চায়েতগুলোকে নিজের রাজনৈতিক প্রভাবের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। দ্বিতীয়ত, রেজিনগর বিধানসভা আসনের সম্ভাব্য উপনির্বাচনে নিজের ছেলেকে প্রার্থী করে জেতানোর লক্ষ্যেই সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের চেষ্টা করছেন হুমায়ুন।
তিনি বলেন, রেজিনগর আসনে মুসলিম ভোটার সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভোট একদিকে টানতেই এসব বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে বলে তার ধারণা।
শেষে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কান খুলে শুনে রাখুন, এভাবে হুমকি বা লাগামছাড়া বক্তব্য আর বলতে দেওয়া হবে না।”

আপনার মতামত লিখুন