মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে নাটকীয় এক লড়াইয়ের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। তিনটি লাল কার্ডের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে দারুণ সূচনা করেছে স্বাগতিক মেক্সিকো।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো। তৃতীয় মিনিটেই গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন রাউল জিমিনেজ, তবে দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রোনেন উইলিয়ামস দারুণ দক্ষতায় তা প্রতিহত করেন। তবে নবম মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। হুলিয়ান কিনিয়োনেসের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও দক্ষিণ আফ্রিকা তেমন প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। বিপরীতে বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বজায় রাখে মেক্সিকো। প্রথমার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি হলেও ব্যবধান বাড়াতে ব্যর্থ হয় তারা। ১৯তম মিনিটে কিনিয়োনেসের আরেকটি প্রচেষ্টা অল্পের জন্য লক্ষ্যে পৌঁছায়নি। ফলে ১-০ ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে মেক্সিকোর নিয়ন্ত্রণ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ৬৭তম মিনিটে গুছানো এক আক্রমণ থেকে রাউল জিমিনেজ দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন। এরপর ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় একের পর এক লাল কার্ডের ঘটনা।
৪৯তম ও ৮৪তম মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ফুটবলার লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে দলটি নয় জনে পরিণত হয়। সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে মেক্সিকো আক্রমণের ধার বজায় রাখলেও যোগ করা সময়ে সেজার মন্তেস লাল কার্ড দেখায় তারাও শেষ পর্যন্ত ১০ জনের দলে পরিণত হয়।
তবে ততক্ষণে ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল স্বাগতিকদের হাতে। দক্ষিণ আফ্রিকা আক্রমণে কার্যকর কোনো চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি। বল দখলে মেক্সিকো ছিল এগিয়ে, তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল ৬১ শতাংশ সময় বল, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার ছিল ৩৯ শতাংশ। শট নেওয়ার ক্ষেত্রেও এগিয়ে ছিল মেক্সিকো। তারা মোট ১৫টি শট নেয়, যার পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা চারটি শট নিয়ে তিনটি অন টার্গেটে রাখতে সক্ষম হয়।
শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে মেক্সিকো। আর তিনটি লাল কার্ডে ভরা এই উদ্বোধনী ম্যাচটি টুর্নামেন্টের প্রথম দিনেই আলোচনার কেন্দ্রে জায়গা করে নেয়।
#আর ইউ এস
বিষয় : বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ মেক্সিকো

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে নাটকীয় এক লড়াইয়ের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। তিনটি লাল কার্ডের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে দারুণ সূচনা করেছে স্বাগতিক মেক্সিকো।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো। তৃতীয় মিনিটেই গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন রাউল জিমিনেজ, তবে দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রোনেন উইলিয়ামস দারুণ দক্ষতায় তা প্রতিহত করেন। তবে নবম মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। হুলিয়ান কিনিয়োনেসের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও দক্ষিণ আফ্রিকা তেমন প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। বিপরীতে বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বজায় রাখে মেক্সিকো। প্রথমার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি হলেও ব্যবধান বাড়াতে ব্যর্থ হয় তারা। ১৯তম মিনিটে কিনিয়োনেসের আরেকটি প্রচেষ্টা অল্পের জন্য লক্ষ্যে পৌঁছায়নি। ফলে ১-০ ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে মেক্সিকোর নিয়ন্ত্রণ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ৬৭তম মিনিটে গুছানো এক আক্রমণ থেকে রাউল জিমিনেজ দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন। এরপর ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় একের পর এক লাল কার্ডের ঘটনা।
৪৯তম ও ৮৪তম মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ফুটবলার লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে দলটি নয় জনে পরিণত হয়। সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে মেক্সিকো আক্রমণের ধার বজায় রাখলেও যোগ করা সময়ে সেজার মন্তেস লাল কার্ড দেখায় তারাও শেষ পর্যন্ত ১০ জনের দলে পরিণত হয়।
তবে ততক্ষণে ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল স্বাগতিকদের হাতে। দক্ষিণ আফ্রিকা আক্রমণে কার্যকর কোনো চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি। বল দখলে মেক্সিকো ছিল এগিয়ে, তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল ৬১ শতাংশ সময় বল, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার ছিল ৩৯ শতাংশ। শট নেওয়ার ক্ষেত্রেও এগিয়ে ছিল মেক্সিকো। তারা মোট ১৫টি শট নেয়, যার পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা চারটি শট নিয়ে তিনটি অন টার্গেটে রাখতে সক্ষম হয়।
শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে মেক্সিকো। আর তিনটি লাল কার্ডে ভরা এই উদ্বোধনী ম্যাচটি টুর্নামেন্টের প্রথম দিনেই আলোচনার কেন্দ্রে জায়গা করে নেয়।
#আর ইউ এস

আপনার মতামত লিখুন