ইসলামী ব্যাংক সংক্রান্ত আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ব্যাংক থেকে ৭০০ কোটি টাকার ঋণ ও সংশ্লিষ্ট অভিযোগকে কেন্দ্র করে মন্ত্রীর বক্তব্যকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানান।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেসব অভিযোগ তুলেছেন, তা নির্দিষ্ট কোনো দলের প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ। তার বক্তব্যে নাম উল্লেখ না করায় অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াত আমির প্রশ্ন তোলেন, ৭০০ কোটি টাকার ঋণ কে নিয়েছে এবং সেটি কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী তহবিলে ব্যবহার হয়েছে কি না—এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য পরিষ্কার হওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, অভিযোগ যদি জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে করা হয়ে থাকে, তবে তা প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণ হলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কার দেবেন বলেও মন্তব্য করেন।
তিনি ইসলামী ব্যাংকের রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম (আরডিএস) নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্যও নাকচ করেন। তার দাবি, এই কর্মসূচি কোনো দল বা ধর্মীয় পরিচয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তিনি অভিযোগ করেন, আরডিএস ও অন্যান্য তহবিল নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এস আলমের নাম উল্লেখ না করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একজন ব্যক্তি বিপুল অঙ্কের ঋণ নিয়ে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে প্রভাব বিস্তার করেছেন। তার দাবি অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি একাই প্রায় ৮২ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়েছেন এবং শেয়ার দখলের মাধ্যমে ব্যাংকের বড় অংশের মালিকানা অর্জন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান সংকটের জন্য পূর্ববর্তী সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত দায়ী। তার অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব ও নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক গোষ্ঠীকে ব্যবহার করে ব্যাংক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ব্যাংক ব্যবস্থায় অনিয়ম ও লুটপাটের বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা উচিত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
ইসলামী ব্যাংক সংক্রান্ত আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ব্যাংক থেকে ৭০০ কোটি টাকার ঋণ ও সংশ্লিষ্ট অভিযোগকে কেন্দ্র করে মন্ত্রীর বক্তব্যকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানান।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেসব অভিযোগ তুলেছেন, তা নির্দিষ্ট কোনো দলের প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ। তার বক্তব্যে নাম উল্লেখ না করায় অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াত আমির প্রশ্ন তোলেন, ৭০০ কোটি টাকার ঋণ কে নিয়েছে এবং সেটি কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী তহবিলে ব্যবহার হয়েছে কি না—এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য পরিষ্কার হওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, অভিযোগ যদি জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে করা হয়ে থাকে, তবে তা প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণ হলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কার দেবেন বলেও মন্তব্য করেন।
তিনি ইসলামী ব্যাংকের রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম (আরডিএস) নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্যও নাকচ করেন। তার দাবি, এই কর্মসূচি কোনো দল বা ধর্মীয় পরিচয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তিনি অভিযোগ করেন, আরডিএস ও অন্যান্য তহবিল নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এস আলমের নাম উল্লেখ না করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একজন ব্যক্তি বিপুল অঙ্কের ঋণ নিয়ে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে প্রভাব বিস্তার করেছেন। তার দাবি অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি একাই প্রায় ৮২ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়েছেন এবং শেয়ার দখলের মাধ্যমে ব্যাংকের বড় অংশের মালিকানা অর্জন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান সংকটের জন্য পূর্ববর্তী সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত দায়ী। তার অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব ও নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক গোষ্ঠীকে ব্যবহার করে ব্যাংক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ব্যাংক ব্যবস্থায় অনিয়ম ও লুটপাটের বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা উচিত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন