ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইসরায়েলের দাবি, ইরানের পর এবার ইয়েমেন থেকেও দেশটির দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর ফলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর সরাসরি ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামলা চালানো থেকে বিরত ছিল ইরান। তবে লেবাননে ইসরায়েলের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে তেহরান আবারও আক্রমণাত্মক অবস্থানে যায়। স্থানীয় সময় রোববার গভীর রাতে ইসরায়েলের একটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরান।
এর জবাবে ইসরায়েল তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহান লক্ষ্য করে বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, এই পাল্টা হামলার পরপরই ইয়েমেনের দিক থেকেও ইসরায়েলের উদ্দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের খবরের পর মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। নিরাপত্তাজনিত কারণে সাময়িকভাবে দেশটির আকাশসীমাও বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
এদিকে ইরানের হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলকে পাল্টা হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে স্থায়ীভাবে সংঘাতের অবসানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং নতুন করে সামরিক প্রতিক্রিয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তবে ইসরায়েল সেই আহ্বানে সাড়া দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইতার পাল্টা হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, ইরান থেকে নিক্ষেপ করা ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি করেছিল। তার ভাষ্য, কোনো আত্মমর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র এ ধরনের হামলার জবাব না দিয়ে থাকতে পারে না।
ইরান, ইসরায়েল ও ইয়েমেনকে ঘিরে সাম্প্রতিক এই ঘটনাপ্রবাহ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। সংঘাত বিস্তারের আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতির দিকে নিবিড় নজর রাখছে।
বিষয় : ইসরায়েল ইরান যুদ্ধ

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইসরায়েলের দাবি, ইরানের পর এবার ইয়েমেন থেকেও দেশটির দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর ফলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর সরাসরি ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামলা চালানো থেকে বিরত ছিল ইরান। তবে লেবাননে ইসরায়েলের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে তেহরান আবারও আক্রমণাত্মক অবস্থানে যায়। স্থানীয় সময় রোববার গভীর রাতে ইসরায়েলের একটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরান।
এর জবাবে ইসরায়েল তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহান লক্ষ্য করে বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, এই পাল্টা হামলার পরপরই ইয়েমেনের দিক থেকেও ইসরায়েলের উদ্দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের খবরের পর মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। নিরাপত্তাজনিত কারণে সাময়িকভাবে দেশটির আকাশসীমাও বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
এদিকে ইরানের হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলকে পাল্টা হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে স্থায়ীভাবে সংঘাতের অবসানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং নতুন করে সামরিক প্রতিক্রিয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তবে ইসরায়েল সেই আহ্বানে সাড়া দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইতার পাল্টা হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, ইরান থেকে নিক্ষেপ করা ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি করেছিল। তার ভাষ্য, কোনো আত্মমর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র এ ধরনের হামলার জবাব না দিয়ে থাকতে পারে না।
ইরান, ইসরায়েল ও ইয়েমেনকে ঘিরে সাম্প্রতিক এই ঘটনাপ্রবাহ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। সংঘাত বিস্তারের আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতির দিকে নিবিড় নজর রাখছে।

আপনার মতামত লিখুন