ঈদ-পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ছিনতাই, চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও প্রবেশপথে রাতভর বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীতে মানুষের চলাচল ও কর্মব্যস্ততা বাড়তে শুরু করায় অপরাধীদের তৎপরতা ঠেকাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ চেকপোস্টগুলোতে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের কাগজপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
এদিকে, বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। জনবিরল সড়ক, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজধানীবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা ঘটনার তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, সমন্বিত এই নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে ছিনতাই, চুরি ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
ঈদ-পরবর্তী সময়ে রাজধানীতে ছিনতাই, চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও প্রবেশপথে রাতভর বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীতে মানুষের চলাচল ও কর্মব্যস্ততা বাড়তে শুরু করায় অপরাধীদের তৎপরতা ঠেকাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ চেকপোস্টগুলোতে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের কাগজপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
এদিকে, বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। জনবিরল সড়ক, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজধানীবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা ঘটনার তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, সমন্বিত এই নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে ছিনতাই, চুরি ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন