ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এডিস মশার প্রজনন ও বিস্তার রোধে ওসমানীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। র্যালিটি হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
র্যালি শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাইমুল আহসানসহ অন্যান্য বক্তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ হলেও সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ড্রাম ও অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পরিষ্কার পানি নিয়মিত অপসারণের মাধ্যমে এডিস মশার প্রজনন রোধ করা যায়।
তারা আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; বরং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হয়ে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয় এবং সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এডিস মশার প্রজনন ও বিস্তার রোধে ওসমানীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। র্যালিটি হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
র্যালি শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাইমুল আহসানসহ অন্যান্য বক্তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ হলেও সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ড্রাম ও অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পরিষ্কার পানি নিয়মিত অপসারণের মাধ্যমে এডিস মশার প্রজনন রোধ করা যায়।
তারা আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; বরং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হয়ে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয় এবং সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন