ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বাড়ছে থ্যা-লাসেমিয়ার ঝুঁকি, বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে বাড়ছে থ্যা-লাসেমিয়ার ঝুঁকি, বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া ধীরে ধীরে একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, দেশের প্রায় ২ কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়া জিনের বাহক হতে পারেন, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তরোগ। বাবা-মা উভয়েই যদি এই রোগের জিন বহন করেন, তাহলে তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। আক্রান্ত শিশুদের অনেক ক্ষেত্রেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

চিকিৎসকরা জানান, দেশে প্রতিবছর হাজার হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে। অথচ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং পরীক্ষার মাধ্যমে এ রোগের বিস্তার অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা এবং থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার শনাক্তকরণ কর্মসূচি আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, সময়মতো পরীক্ষা ও সচেতনতার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই জটিল রোগের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণেরও আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে থ্যালাসেমিয়া দেশের স্বাস্থ্যখাতে আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


বাংলাদেশে বাড়ছে থ্যা-লাসেমিয়ার ঝুঁকি, বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া ধীরে ধীরে একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, দেশের প্রায় ২ কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়া জিনের বাহক হতে পারেন, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তরোগ। বাবা-মা উভয়েই যদি এই রোগের জিন বহন করেন, তাহলে তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। আক্রান্ত শিশুদের অনেক ক্ষেত্রেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

চিকিৎসকরা জানান, দেশে প্রতিবছর হাজার হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে। অথচ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং পরীক্ষার মাধ্যমে এ রোগের বিস্তার অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা এবং থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার শনাক্তকরণ কর্মসূচি আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, সময়মতো পরীক্ষা ও সচেতনতার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই জটিল রোগের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণেরও আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে থ্যালাসেমিয়া দেশের স্বাস্থ্যখাতে আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ