চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী ৮ ও ৯ জুন উত্তর কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন। ২০১৯ সালের পর এটি হবে তাঁর প্রথম পিয়ংইয়ং সফর, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক গুরুত্ব বহন করছে।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন-এর আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ সফরে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং কোরীয় উপদ্বীপের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি এবং পূর্ব এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বেইজিং-পিয়ংইয়ং সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ সফরের আয়োজন করা হয়েছে।
চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ক থাকলেও গত কয়েক বছরে উচ্চপর্যায়ের সরাসরি সফর তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে। ফলে শি জিনপিংয়ের এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।
এদিকে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন শি জিনপিংয়ের এই সফর আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী ৮ ও ৯ জুন উত্তর কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন। ২০১৯ সালের পর এটি হবে তাঁর প্রথম পিয়ংইয়ং সফর, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক গুরুত্ব বহন করছে।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন-এর আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ সফরে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং কোরীয় উপদ্বীপের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি এবং পূর্ব এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বেইজিং-পিয়ংইয়ং সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ সফরের আয়োজন করা হয়েছে।
চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ক থাকলেও গত কয়েক বছরে উচ্চপর্যায়ের সরাসরি সফর তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে। ফলে শি জিনপিংয়ের এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।
এদিকে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন শি জিনপিংয়ের এই সফর আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন