সন্ত্রাসবাদের শিকার ও বেঁচে ফেরা মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় বিশ্ববাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
২১ আগস্ট ২০২৬ ‘সন্ত্রাসবাদের শিকারদের স্মরণ ও শ্রদ্ধা নিবেদনের আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।
বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আজ আমরা সন্ত্রাসবাদের শিকার ও বেঁচে ফেরা মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। তাদের সাহসিকতাকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি তাদের কণ্ঠস্বর আরও জোরালো করা এবং তাদের মর্যাদা ও অধিকারের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার কথাও বলেন তিনি।
এ বছরের দিবসটির মূলভাব ‘স্মৃতির মাধ্যমে নিরাময়’। এ প্রসঙ্গে মহাসচিব বলেন, এই মূলভাব আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে স্মরণ হলো পুনরুদ্ধার ও নবায়নের একটি পথ। তবে কীভাবে স্মরণ করা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
সন্ত্রাসবাদের ভুক্তভোগীদের গল্পের অপব্যবহার কিংবা সেগুলোকে আরও ঘৃণা ছড়ানোর কাজে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও এ বিষয়ে দায়িত্বশীল হতে হবে।
জাতিসংঘ মহাসচিবের মতে, দায়িত্বশীলভাবে স্মরণ করার মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের আরও মানসিক আঘাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ যে ক্ষতিকর আখ্যান ছড়িয়ে দিতে চায়, তাও প্রতিহত করা যায়।
সন্ত্রাসবাদ যেন মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, “সন্ত্রাসকে আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না দিয়ে, আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি এবং আমাদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
বার্তার শেষাংশে সন্ত্রাসবাদের শিকার ও বেঁচে ফেরা মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আজ এবং প্রতিদিন তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং সহিংসতা ও ভয়মুক্ত একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
সন্ত্রাসবাদের শিকার ও বেঁচে ফেরা মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় বিশ্ববাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
২১ আগস্ট ২০২৬ ‘সন্ত্রাসবাদের শিকারদের স্মরণ ও শ্রদ্ধা নিবেদনের আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।
বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আজ আমরা সন্ত্রাসবাদের শিকার ও বেঁচে ফেরা মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। তাদের সাহসিকতাকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি তাদের কণ্ঠস্বর আরও জোরালো করা এবং তাদের মর্যাদা ও অধিকারের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার কথাও বলেন তিনি।
এ বছরের দিবসটির মূলভাব ‘স্মৃতির মাধ্যমে নিরাময়’। এ প্রসঙ্গে মহাসচিব বলেন, এই মূলভাব আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে স্মরণ হলো পুনরুদ্ধার ও নবায়নের একটি পথ। তবে কীভাবে স্মরণ করা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
সন্ত্রাসবাদের ভুক্তভোগীদের গল্পের অপব্যবহার কিংবা সেগুলোকে আরও ঘৃণা ছড়ানোর কাজে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও এ বিষয়ে দায়িত্বশীল হতে হবে।
জাতিসংঘ মহাসচিবের মতে, দায়িত্বশীলভাবে স্মরণ করার মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের আরও মানসিক আঘাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ যে ক্ষতিকর আখ্যান ছড়িয়ে দিতে চায়, তাও প্রতিহত করা যায়।
সন্ত্রাসবাদ যেন মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, “সন্ত্রাসকে আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না দিয়ে, আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি এবং আমাদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
বার্তার শেষাংশে সন্ত্রাসবাদের শিকার ও বেঁচে ফেরা মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আজ এবং প্রতিদিন তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং সহিংসতা ও ভয়মুক্ত একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন