লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনেই ব্যাটারদের দুর্ভোগ আর বোলারদের দাপটে জমে উঠেছে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড লড়াই। একদিনে ১৬ উইকেট পতনের নাটকীয় দিনে শেষ পর্যন্ত সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। দিনের খেলা শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৬১ রান। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের ১৪০ রানের জবাবে এখনও ৭৯ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই নিউজিল্যান্ডের পেস আক্রমণের সামনে বিপাকে পড়ে ইংল্যান্ড। কাইল জেমিসনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১৪০ রানেই অলআউট হয় স্বাগতিকরা। দীর্ঘদিন পর টেস্ট দলে ফিরে ৬২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নাম লেখান এই কিউই পেসার।
ইংল্যান্ডের ব্যাটিং ইনিংসে ধস নামে দ্রুতই। ৩১ রানে এক উইকেট থেকে মাত্র ১৪ বলের ব্যবধানে চার উইকেট হারিয়ে বসে দলটি। জো রুট ও জেমি স্মিথ দুজনই মাত্র ১ রান করে ফেরেন। বেন ডাকেট করেন ২২ এবং জ্যাকব বেথেল ৬ রান।
ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে একমাত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন হ্যারি ব্রুক। শুরুতে সতর্ক থাকলেও পরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৬৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। ৫৬ রানের ইনিংসে ছিল ৯টি চার। তবে অন্যপ্রান্তে নিয়মিত উইকেট পতনের কারণে বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি ইংল্যান্ডের।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে আরও বড় বিপর্যয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ড। আড়াই বছর পর টেস্ট দলে ফেরা অলি রবিনসন নিজের প্রথম ওভারেই তিন উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেন। প্রথমে ডেভন কনওয়েকে এলবিডব্লিউ করার পর কেন উইলিয়ামসনকে শর্ট লেগে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। পরের বলেই রাচিন রবীন্দ্রকে এলবিডব্লিউ করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করেন ইংলিশ পেসার।
রবিনসনের আগুনঝরা স্পেলের সঙ্গে গাস অ্যাটকিনসন ও জশ টাংয়ের কার্যকর বোলিংয়ে দ্রুত সাজঘরে ফেরেন টম ল্যাথাম, ড্যারিল মিচেল ও টম ব্লান্ডেল। মাত্র ২৯ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে নিউজিল্যান্ড।
তবে দিনের শেষভাগে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন গ্লেন ফিলিপস। ৩৪ বলে অপরাজিত ৩১ রান করে দ্বিতীয় দিনের জন্য দলের আশা জিইয়ে রেখেছেন তিনি। তবু প্রথম দিনের খেলা শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ স্পষ্টভাবেই ইংল্যান্ডের হাতেই রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনেই ব্যাটারদের দুর্ভোগ আর বোলারদের দাপটে জমে উঠেছে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড লড়াই। একদিনে ১৬ উইকেট পতনের নাটকীয় দিনে শেষ পর্যন্ত সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। দিনের খেলা শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৬১ রান। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের ১৪০ রানের জবাবে এখনও ৭৯ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই নিউজিল্যান্ডের পেস আক্রমণের সামনে বিপাকে পড়ে ইংল্যান্ড। কাইল জেমিসনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১৪০ রানেই অলআউট হয় স্বাগতিকরা। দীর্ঘদিন পর টেস্ট দলে ফিরে ৬২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নাম লেখান এই কিউই পেসার।
ইংল্যান্ডের ব্যাটিং ইনিংসে ধস নামে দ্রুতই। ৩১ রানে এক উইকেট থেকে মাত্র ১৪ বলের ব্যবধানে চার উইকেট হারিয়ে বসে দলটি। জো রুট ও জেমি স্মিথ দুজনই মাত্র ১ রান করে ফেরেন। বেন ডাকেট করেন ২২ এবং জ্যাকব বেথেল ৬ রান।
ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে একমাত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন হ্যারি ব্রুক। শুরুতে সতর্ক থাকলেও পরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৬৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। ৫৬ রানের ইনিংসে ছিল ৯টি চার। তবে অন্যপ্রান্তে নিয়মিত উইকেট পতনের কারণে বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি ইংল্যান্ডের।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে আরও বড় বিপর্যয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ড। আড়াই বছর পর টেস্ট দলে ফেরা অলি রবিনসন নিজের প্রথম ওভারেই তিন উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেন। প্রথমে ডেভন কনওয়েকে এলবিডব্লিউ করার পর কেন উইলিয়ামসনকে শর্ট লেগে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। পরের বলেই রাচিন রবীন্দ্রকে এলবিডব্লিউ করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করেন ইংলিশ পেসার।
রবিনসনের আগুনঝরা স্পেলের সঙ্গে গাস অ্যাটকিনসন ও জশ টাংয়ের কার্যকর বোলিংয়ে দ্রুত সাজঘরে ফেরেন টম ল্যাথাম, ড্যারিল মিচেল ও টম ব্লান্ডেল। মাত্র ২৯ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে নিউজিল্যান্ড।
তবে দিনের শেষভাগে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন গ্লেন ফিলিপস। ৩৪ বলে অপরাজিত ৩১ রান করে দ্বিতীয় দিনের জন্য দলের আশা জিইয়ে রেখেছেন তিনি। তবু প্রথম দিনের খেলা শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ স্পষ্টভাবেই ইংল্যান্ডের হাতেই রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন