চোখের সামান্য পরিবর্তন অনেক সময়ই আমরা ক্লান্তি, ঘুমের ঘাটতি বা দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের ফল বলে ধরে নিই। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট চোখের লক্ষণ শরীরের ভেতরের থাইরয়েড সমস্যার গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হতে পারে, যা অনেক সময় উপেক্ষিত থাকে।
চিকিৎসকদের ভাষায়, বিশেষ করে অটোইমিউন থাইরয়েড রোগ গ্রেভস ডিজিজে চোখে পরিবর্তন খুব সাধারণ। এই অবস্থাকে থাইরয়েড আই ডিজিজ (TED) বা গ্রেভস অরবিটোপ্যাথি বলা হয়। বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, থাইরয়েড রোগীদের প্রায় ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে চোখের জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় থাইরয়েড ধরা পড়ার আগেই চোখের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চোখের চারপাশে দীর্ঘস্থায়ী ফোলা ভাব যা বিশ্রামেও কমে না, তা প্রাথমিক সতর্ক সংকেত হতে পারে। পাশাপাশি চোখে শুষ্কতা, খচখচে অনুভূতি বা চোখের পেছনে চাপ অনুভব করাও থাইরয়েডজনিত সমস্যার লক্ষণ হিসেবে দেখা যায়।
কিছু রোগীর ক্ষেত্রে চোখ সামনের দিকে বেরিয়ে আসার মতো দেখা দিতে পারে। আবার কারও ক্ষেত্রে ডাবল ভিশন বা একই বস্তুকে দুইটি হিসেবে দেখা (double vision) হতে পারে। আলোতে অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা, চোখ পুরোপুরি বন্ধ করতে না পারা এবং ঘুমের সময় অস্বস্তি অনুভব করাও সাধারণ উপসর্গ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গুরুতর পর্যায়ে অপটিক নার্ভে চাপ পড়ে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগটি ধীরে ধীরে অগ্রসর হয় বলে অনেকেই একে সাধারণ ক্লান্তি বা ডিজিটাল আই স্ট্রেইন মনে করে উপেক্ষা করেন। ফলে চিকিৎসা নিতে দেরি হয় এবং পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, থাইরয়েড রোগ শনাক্ত ও ব্যবস্থাপনায় চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও এন্ডোক্রিনোলজিস্ট—উভয়ের সমন্বিত ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। থাইরয়েড রোগীদের নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো উচিত, এবং চোখে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ অনেক সময় চোখের পরিবর্তনই শরীরের ভেতরের থাইরয়েড সমস্যার প্রথম সংকেত হতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
চোখের সামান্য পরিবর্তন অনেক সময়ই আমরা ক্লান্তি, ঘুমের ঘাটতি বা দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের ফল বলে ধরে নিই। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট চোখের লক্ষণ শরীরের ভেতরের থাইরয়েড সমস্যার গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হতে পারে, যা অনেক সময় উপেক্ষিত থাকে।
চিকিৎসকদের ভাষায়, বিশেষ করে অটোইমিউন থাইরয়েড রোগ গ্রেভস ডিজিজে চোখে পরিবর্তন খুব সাধারণ। এই অবস্থাকে থাইরয়েড আই ডিজিজ (TED) বা গ্রেভস অরবিটোপ্যাথি বলা হয়। বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, থাইরয়েড রোগীদের প্রায় ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে চোখের জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় থাইরয়েড ধরা পড়ার আগেই চোখের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চোখের চারপাশে দীর্ঘস্থায়ী ফোলা ভাব যা বিশ্রামেও কমে না, তা প্রাথমিক সতর্ক সংকেত হতে পারে। পাশাপাশি চোখে শুষ্কতা, খচখচে অনুভূতি বা চোখের পেছনে চাপ অনুভব করাও থাইরয়েডজনিত সমস্যার লক্ষণ হিসেবে দেখা যায়।
কিছু রোগীর ক্ষেত্রে চোখ সামনের দিকে বেরিয়ে আসার মতো দেখা দিতে পারে। আবার কারও ক্ষেত্রে ডাবল ভিশন বা একই বস্তুকে দুইটি হিসেবে দেখা (double vision) হতে পারে। আলোতে অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা, চোখ পুরোপুরি বন্ধ করতে না পারা এবং ঘুমের সময় অস্বস্তি অনুভব করাও সাধারণ উপসর্গ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গুরুতর পর্যায়ে অপটিক নার্ভে চাপ পড়ে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগটি ধীরে ধীরে অগ্রসর হয় বলে অনেকেই একে সাধারণ ক্লান্তি বা ডিজিটাল আই স্ট্রেইন মনে করে উপেক্ষা করেন। ফলে চিকিৎসা নিতে দেরি হয় এবং পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, থাইরয়েড রোগ শনাক্ত ও ব্যবস্থাপনায় চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও এন্ডোক্রিনোলজিস্ট—উভয়ের সমন্বিত ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। থাইরয়েড রোগীদের নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো উচিত, এবং চোখে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ অনেক সময় চোখের পরিবর্তনই শরীরের ভেতরের থাইরয়েড সমস্যার প্রথম সংকেত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন