দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, এই ঊর্ধ্বগতি দেশের আর্থিক খাতের জন্য বড় ধরনের সতর্কবার্তা। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ঋণগ্রহীতাদের একটি বড় অংশ নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ দ্রুত বেড়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দুর্বলতাও এর পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, খেলাপি ঋণ বাড়তে থাকলে ব্যাংকগুলোর মুনাফা ও তারল্যের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে। নতুন উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের ঋণপ্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়তে পারে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ঋণ অনুমোদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। এদিকে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানালেও খেলাপি ঋণের লাগাম টেনে ধরতে আরও কঠোর ও বাস্তবমুখী উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং অর্থনীতির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ এখন অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, এই ঊর্ধ্বগতি দেশের আর্থিক খাতের জন্য বড় ধরনের সতর্কবার্তা। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ঋণগ্রহীতাদের একটি বড় অংশ নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ দ্রুত বেড়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দুর্বলতাও এর পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, খেলাপি ঋণ বাড়তে থাকলে ব্যাংকগুলোর মুনাফা ও তারল্যের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে। নতুন উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের ঋণপ্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়তে পারে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ঋণ অনুমোদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। এদিকে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানালেও খেলাপি ঋণের লাগাম টেনে ধরতে আরও কঠোর ও বাস্তবমুখী উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং অর্থনীতির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ এখন অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন