খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার রামশিরা বাজারে সাপ্তাহিক কলার হাটে পর্যাপ্ত পাইকারি ব্যবসায়ী না আসায় বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কলা চাষিরা। বাজারে বিপুল পরিমাণ কলা উঠলেও কাঙ্ক্ষিত পাইকার না থাকায় ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।
বুধবার রামশিরা বাজারে বসে সাপ্তাহিক বিশাল কলার হাট। প্রতি সপ্তাহে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্থানীয় চাষিরা বিপুল পরিমাণ কলা নিয়ে এ হাটে আসেন। তবে উৎপাদনের তুলনায় পাইকারি ক্রেতার সংখ্যা কম থাকায় অনেক চাষিকেই কম দামে কলা বিক্রি করতে হচ্ছে।
চাষিরা জানান, কলা উৎপাদন ও পরিবহনে উল্লেখযোগ্য খরচ হয়। কিন্তু বাজারে পর্যাপ্ত পাইকার না থাকায় অনেক সময় সেই খরচও ওঠে না। এতে তাদের লোকসানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
চাষিদের দুর্ভোগ কমাতে রামশিরা বাজার কমিটি পাইকারি ব্যবসায়ীদের বাজারে আসতে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে যাতায়াত খরচের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি হাসিল বা বাজার ফিও ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে।
রামশিরা বাজার কমিটির সভাপতি শেখ রুবেলের নেতৃত্বে পাইকারি ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি বাড়ানো এবং স্থানীয় চাষিদের উৎপাদিত কলার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় কলা চাষিরা আশা করছেন, বাজারে নিয়মিত পর্যাপ্ত পাইকারি ব্যবসায়ী এলে কলা বিক্রিতে গতি আসবে এবং তারা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন।
বাজার কমিটির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে চাষিরা দ্রুত আরও বেশি পাইকারি ব্যবসায়ীকে রামশিরা বাজারে আনার দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার রামশিরা বাজারে সাপ্তাহিক কলার হাটে পর্যাপ্ত পাইকারি ব্যবসায়ী না আসায় বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কলা চাষিরা। বাজারে বিপুল পরিমাণ কলা উঠলেও কাঙ্ক্ষিত পাইকার না থাকায় ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।
বুধবার রামশিরা বাজারে বসে সাপ্তাহিক বিশাল কলার হাট। প্রতি সপ্তাহে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্থানীয় চাষিরা বিপুল পরিমাণ কলা নিয়ে এ হাটে আসেন। তবে উৎপাদনের তুলনায় পাইকারি ক্রেতার সংখ্যা কম থাকায় অনেক চাষিকেই কম দামে কলা বিক্রি করতে হচ্ছে।
চাষিরা জানান, কলা উৎপাদন ও পরিবহনে উল্লেখযোগ্য খরচ হয়। কিন্তু বাজারে পর্যাপ্ত পাইকার না থাকায় অনেক সময় সেই খরচও ওঠে না। এতে তাদের লোকসানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
চাষিদের দুর্ভোগ কমাতে রামশিরা বাজার কমিটি পাইকারি ব্যবসায়ীদের বাজারে আসতে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে যাতায়াত খরচের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি হাসিল বা বাজার ফিও ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে।
রামশিরা বাজার কমিটির সভাপতি শেখ রুবেলের নেতৃত্বে পাইকারি ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি বাড়ানো এবং স্থানীয় চাষিদের উৎপাদিত কলার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় কলা চাষিরা আশা করছেন, বাজারে নিয়মিত পর্যাপ্ত পাইকারি ব্যবসায়ী এলে কলা বিক্রিতে গতি আসবে এবং তারা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন।
বাজার কমিটির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে চাষিরা দ্রুত আরও বেশি পাইকারি ব্যবসায়ীকে রামশিরা বাজারে আনার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন