দেশে আবারও উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে হামের সংক্রমণ। ঈদ-উল-আযহার ছুটির পর শিশুদের মধ্যে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক মানুষের চলাচল ও পারিবারিক সমাগমের কারণে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়েছে। বিশেষ করে যেসব শিশু এখনো হাম-রুবেলা (এমআর) টিকার পূর্ণ ডোজ গ্রহণ করেনি, তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আক্রান্তদের বড় অংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতে জ্বর, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে দানা নিয়ে শিশুদের ভর্তি হওয়ার ঘটনা বাড়ছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের মতো অত্যন্ত সংক্রামক রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে যদি টিকাদানের আওতায় ঘাটতি থাকে। তাই অভিভাবকদের শিশুদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অসুস্থ শিশুদের জনসমাগম থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগ দেশব্যাপী হামের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, হামের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সময়মতো চিকিৎসা ও টিকাদানের মাধ্যমেই এ রোগের বিস্তার রোধ করা সম্ভব।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
দেশে আবারও উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে হামের সংক্রমণ। ঈদ-উল-আযহার ছুটির পর শিশুদের মধ্যে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক মানুষের চলাচল ও পারিবারিক সমাগমের কারণে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়েছে। বিশেষ করে যেসব শিশু এখনো হাম-রুবেলা (এমআর) টিকার পূর্ণ ডোজ গ্রহণ করেনি, তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আক্রান্তদের বড় অংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাসপাতালগুলোতে জ্বর, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে দানা নিয়ে শিশুদের ভর্তি হওয়ার ঘটনা বাড়ছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের মতো অত্যন্ত সংক্রামক রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে যদি টিকাদানের আওতায় ঘাটতি থাকে। তাই অভিভাবকদের শিশুদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অসুস্থ শিশুদের জনসমাগম থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগ দেশব্যাপী হামের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, হামের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সময়মতো চিকিৎসা ও টিকাদানের মাধ্যমেই এ রোগের বিস্তার রোধ করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন