বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য চীনে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্য নিয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
জানা গেছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা এই প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। কর্মসূচির আওতায় অংশগ্রহণকারীরা চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়ন মডেল, ডিজিটাল প্রশাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন, জনসেবা ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও জনবান্ধব করতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সরকারি কর্মকর্তাদের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও উদ্ভাবনী ধারণা অর্জনে সহায়তা করে, যা দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য চীনে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্য নিয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
জানা গেছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা এই প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। কর্মসূচির আওতায় অংশগ্রহণকারীরা চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়ন মডেল, ডিজিটাল প্রশাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন, জনসেবা ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও জনবান্ধব করতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সরকারি কর্মকর্তাদের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও উদ্ভাবনী ধারণা অর্জনে সহায়তা করে, যা দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন