দেশের টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট খাতে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনতে নতুন লাইসেন্সিং কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড সেবাকে আরও সহজ, দ্রুত এবং গ্রাহকবান্ধব করতে এই সংস্কার কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোর মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে, যা গ্রাহকদের জন্য উন্নত মানের সেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন লাইসেন্সিং ব্যবস্থা চালু হলে দেশে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবার বিস্তার ত্বরান্বিত হবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল ও প্রত্যন্ত এলাকায় ব্রডব্যান্ড সংযোগ সম্প্রসারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া নতুন নীতিমালা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের পথ আরও সুগম করবে। ফলে সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ ও ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্য বাস্তবায়নেও গতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশা, প্রস্তাবিত সংস্কার বাস্তবায়িত হলে দেশের ইন্টারনেট খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে এবং গ্রাহকরা আরও নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও মানসম্মত সেবা উপভোগ করতে পারবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
দেশের টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট খাতে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনতে নতুন লাইসেন্সিং কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড সেবাকে আরও সহজ, দ্রুত এবং গ্রাহকবান্ধব করতে এই সংস্কার কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোর মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে, যা গ্রাহকদের জন্য উন্নত মানের সেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন লাইসেন্সিং ব্যবস্থা চালু হলে দেশে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবার বিস্তার ত্বরান্বিত হবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল ও প্রত্যন্ত এলাকায় ব্রডব্যান্ড সংযোগ সম্প্রসারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া নতুন নীতিমালা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের পথ আরও সুগম করবে। ফলে সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ ও ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্য বাস্তবায়নেও গতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশা, প্রস্তাবিত সংস্কার বাস্তবায়িত হলে দেশের ইন্টারনেট খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে এবং গ্রাহকরা আরও নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও মানসম্মত সেবা উপভোগ করতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন