ঢাকা, ২ জুন: বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তোফায়েল আহমেদ-এর মৃত্যুতে রাজধানী ঢাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার তাঁর মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজারো নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষ সমবেত হন।
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মানুষের ঢল নামে। রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এই বর্ষীয়ান নেতার প্রতি সম্মান জানাতে উপস্থিত হন। শ্রদ্ধা নিবেদনকালে অনেকেই তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে অবদান এবং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
তোফায়েল আহমেদ ছিলেন ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শোক প্রকাশ করে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
ঢাকা, ২ জুন: বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তোফায়েল আহমেদ-এর মৃত্যুতে রাজধানী ঢাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার তাঁর মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজারো নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষ সমবেত হন।
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মানুষের ঢল নামে। রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এই বর্ষীয়ান নেতার প্রতি সম্মান জানাতে উপস্থিত হন। শ্রদ্ধা নিবেদনকালে অনেকেই তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে অবদান এবং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
তোফায়েল আহমেদ ছিলেন ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শোক প্রকাশ করে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে।

আপনার মতামত লিখুন