জাতীয় দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক মো. আতাউর রহমানের মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইনী সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন। সংস্থাটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এক শোকবার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় বলা হয়, একজন মায়ের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের জন্য নয়, সমাজের জন্যও অপূরণীয় ক্ষতি। মা সন্তানের জীবনের প্রথম শিক্ষক, পথপ্রদর্শক ও অনুপ্রেরণার উৎস। তাই এমন শোকের মুহূর্তে মো. আতাউর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
আসক ফাউন্ডেশনের পক্ষে শোক প্রকাশ করেন সংস্থার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোস্তফা ফয়সাল, নির্বাহী পরিচালক মো. শাহাদাৎ হোসেন শাওন, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, পরিচালক (স্বাস্থ্য) মাইদুল ইসলামসহ বাংলাদেশের সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ তাদের শোকবার্তায় মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানিয়ে বলেন, তিনি যেন মরহুমাকে তাঁর অশেষ রহমতে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন এবং কবরের জীবন শান্তিময় করেন। একই সঙ্গে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের এই কঠিন সময় ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করার তাওফিক দান করার জন্যও তারা মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
শোকবার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, জীবনের অবশ্যম্ভাবী এই সত্যকে মেনে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন হলেও মহান আল্লাহর ফয়সালার প্রতি সন্তুষ্ট থাকা প্রত্যেক মুমিনের কর্তব্য। নেতৃবৃন্দ মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করে পরিবারের সকল সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
এদিকে মরহুমার মৃত্যুতে বিভিন্ন সামাজিক, মানবাধিকার ও গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমার আত্মার শান্তি কামনা করার পাশাপাশি শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে, যেন মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন এবং তাঁর সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
জাতীয় দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক মো. আতাউর রহমানের মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইনী সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন। সংস্থাটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এক শোকবার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় বলা হয়, একজন মায়ের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের জন্য নয়, সমাজের জন্যও অপূরণীয় ক্ষতি। মা সন্তানের জীবনের প্রথম শিক্ষক, পথপ্রদর্শক ও অনুপ্রেরণার উৎস। তাই এমন শোকের মুহূর্তে মো. আতাউর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
আসক ফাউন্ডেশনের পক্ষে শোক প্রকাশ করেন সংস্থার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোস্তফা ফয়সাল, নির্বাহী পরিচালক মো. শাহাদাৎ হোসেন শাওন, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, পরিচালক (স্বাস্থ্য) মাইদুল ইসলামসহ বাংলাদেশের সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ তাদের শোকবার্তায় মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানিয়ে বলেন, তিনি যেন মরহুমাকে তাঁর অশেষ রহমতে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন এবং কবরের জীবন শান্তিময় করেন। একই সঙ্গে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের এই কঠিন সময় ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করার তাওফিক দান করার জন্যও তারা মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
শোকবার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, জীবনের অবশ্যম্ভাবী এই সত্যকে মেনে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন হলেও মহান আল্লাহর ফয়সালার প্রতি সন্তুষ্ট থাকা প্রত্যেক মুমিনের কর্তব্য। নেতৃবৃন্দ মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করে পরিবারের সকল সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
এদিকে মরহুমার মৃত্যুতে বিভিন্ন সামাজিক, মানবাধিকার ও গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমার আত্মার শান্তি কামনা করার পাশাপাশি শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে, যেন মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন এবং তাঁর সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দেন।

আপনার মতামত লিখুন