সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের দুই প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহত হারুনুর রশিদ হারুন ও রাসেল হোসেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী এলাকার বাসিন্দা এবং পরস্পরের প্রতিবেশী ছিলেন।
সোমবার (১ জুন) তাদের মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছালে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পারিবারিক সূত্র জানায়, জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে বসবাস করছিলেন তারা। রোববার রাতে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় রিয়াদের একটি সড়কে একটি উটের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে দুজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত হারুনের বাবা তছলিম উদ্দিন ছৈয়াল বলেন, পরিবারের স্বপ্ন পূরণের জন্য ঋণ করে ছেলেকে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল। এখন তার মরদেহ দেশে ফিরছে, যা পরিবারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি দ্রুত মরদেহ দেশে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, হারুন ও রাসেল ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। একসঙ্গে তাদের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, প্রবাসী দুই যুবকের মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং পরিবারের প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের দুই প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহত হারুনুর রশিদ হারুন ও রাসেল হোসেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী এলাকার বাসিন্দা এবং পরস্পরের প্রতিবেশী ছিলেন।
সোমবার (১ জুন) তাদের মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছালে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পারিবারিক সূত্র জানায়, জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে বসবাস করছিলেন তারা। রোববার রাতে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় রিয়াদের একটি সড়কে একটি উটের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে দুজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত হারুনের বাবা তছলিম উদ্দিন ছৈয়াল বলেন, পরিবারের স্বপ্ন পূরণের জন্য ঋণ করে ছেলেকে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল। এখন তার মরদেহ দেশে ফিরছে, যা পরিবারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি দ্রুত মরদেহ দেশে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, হারুন ও রাসেল ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। একসঙ্গে তাদের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, প্রবাসী দুই যুবকের মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং পরিবারের প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন