চলমান মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা কিছুটা কমে আসার ইঙ্গিত এবং যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির প্রত্যাশায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এতে দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে জ্বালানি তেলের দর।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৫ মে) সকাল ৮টা ২২ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৪৪ ডলার বা ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৯৯ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) কমে ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৩৬ ডলার বা ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৯২ দশমিক ২৪ ডলারে নেমে আসে। দুই ধরনের তেলই ৭ মে’র পর সর্বনিম্ন দামে লেনদেন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার ইঙ্গিত সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা কমিয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কিছুটা কমায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রির চাপ তৈরি হয়।
তবে পরিস্থিতি নিয়ে এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা। আইএনজির কমোডিটি স্ট্র্যাটেজি বিভাগের প্রধান ওয়ারেন প্যাটারস রয়টার্সকে বলেন, অতীতেও ইরান–যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির আলোচনা ঘিরে বাজারে আশার সঞ্চার হলেও শেষ পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রে তা ভেস্তে গেছে। ফলে এবারও বিনিয়োগকারীরা অপেক্ষাকৃত সাবধানী আচরণ করছেন।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়েছে, যার প্রভাব বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে পড়েছে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
চলমান মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা কিছুটা কমে আসার ইঙ্গিত এবং যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির প্রত্যাশায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এতে দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে জ্বালানি তেলের দর।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৫ মে) সকাল ৮টা ২২ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৪৪ ডলার বা ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৯৯ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) কমে ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৩৬ ডলার বা ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৯২ দশমিক ২৪ ডলারে নেমে আসে। দুই ধরনের তেলই ৭ মে’র পর সর্বনিম্ন দামে লেনদেন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার ইঙ্গিত সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা কমিয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কিছুটা কমায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রির চাপ তৈরি হয়।
তবে পরিস্থিতি নিয়ে এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা। আইএনজির কমোডিটি স্ট্র্যাটেজি বিভাগের প্রধান ওয়ারেন প্যাটারস রয়টার্সকে বলেন, অতীতেও ইরান–যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির আলোচনা ঘিরে বাজারে আশার সঞ্চার হলেও শেষ পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রে তা ভেস্তে গেছে। ফলে এবারও বিনিয়োগকারীরা অপেক্ষাকৃত সাবধানী আচরণ করছেন।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়েছে, যার প্রভাব বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে পড়েছে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন