ভারত সফররত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরান ইস্যুতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং খুব শিগগিরই এ বিষয়ে “সুসংবাদ” আসতে পারে।
রোববার দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ব ইতিবাচক কিছু খবর পেতে পারে। তাঁর ভাষায়, বিষয়টি এমন একটি প্রক্রিয়ার সূচনা করতে পারে, যার লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগের অবসান ঘটানো।
রুবিও দাবি করেন, সম্ভাব্য চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী না হয়। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি ঘিরে যে নিরাপত্তা ও নৌ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তারও সমাধান চুক্তির অংশ হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ এবং সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো ধরনের হুমকি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে আলোচনার পর ইরানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাঁর মতে, চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হতে পারে।
তবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে এবং নৌ চলাচল নিয়ে যেসব ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই।
ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে আরও জানানো হয়, কেবল পারাপারকারী জাহাজের চলাচল যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কিছু সমঝোতা হতে পারে, তবে পূর্ণ মুক্ত চলাচলের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আলাদাভাবে একে “ভুল তথ্য” বলে অভিহিত করেছে এবং জানিয়েছে, দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের নতুন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ভারত সফররত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরান ইস্যুতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং খুব শিগগিরই এ বিষয়ে “সুসংবাদ” আসতে পারে।
রোববার দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ব ইতিবাচক কিছু খবর পেতে পারে। তাঁর ভাষায়, বিষয়টি এমন একটি প্রক্রিয়ার সূচনা করতে পারে, যার লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগের অবসান ঘটানো।
রুবিও দাবি করেন, সম্ভাব্য চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী না হয়। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি ঘিরে যে নিরাপত্তা ও নৌ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তারও সমাধান চুক্তির অংশ হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ এবং সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো ধরনের হুমকি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে আলোচনার পর ইরানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাঁর মতে, চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হতে পারে।
তবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে এবং নৌ চলাচল নিয়ে যেসব ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই।
ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে আরও জানানো হয়, কেবল পারাপারকারী জাহাজের চলাচল যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কিছু সমঝোতা হতে পারে, তবে পূর্ণ মুক্ত চলাচলের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আলাদাভাবে একে “ভুল তথ্য” বলে অভিহিত করেছে এবং জানিয়েছে, দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের নতুন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন