ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ঈদুল আজহা ঘিরে উত্তরবঙ্গগামী মানুষের চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ঘরমুখো যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সড়ক ও সেতু এলাকায় যানবাহনের চাপও বেড়েছে। তবে চাপ বাড়লেও এখন পর্যন্ত কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি, স্বাভাবিক গতিতেই চলছে যান চলাচল।
রোববার (২৪ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে টাঙ্গাইল অংশের এলেঙ্গা, রাবনা বাইপাস, নগর জলফৈ ও করটিয়া বাইপাস এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি না থাকলেও চাপ তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গমুখী বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা চোখে পড়ার মতো।
জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঈদ মৌসুমে এ মহাসড়কে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি যানবাহন চলাচল করে। যমুনা সেতু হয়ে উত্তরাঞ্চলের ২৩ জেলার যানবাহন চলাচল করায় এই রুটে চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর ওপর দিয়ে মোট ৩২ হাজার ৬৪৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৯৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯০০ টাকা। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গমুখী যানবাহন ছিল ১৬ হাজার ৭৫৩টি এবং ঢাকামুখী যানবাহন ১৫ হাজার ৮৯৬টি।
সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, ঈদযাত্রার চাপ সামাল দিতে অতিরিক্ত বুথ চালু রাখা হয়েছে। মোট ১৮টি বুথের মাধ্যমে টোল আদায় চলছে, যার মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা চারটি বুথ রয়েছে। যানবাহন বিকল বা দুর্ঘটনা মোকাবিলায় দুই প্রান্তে রেকার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বলেন, চাপ বাড়লেও মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সার্বক্ষণিক কাজ করছে। কোথাও যানজট তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জানান, মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে আট শতাধিক পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। হাইওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও অবৈধ পার্কিং রোধেও কঠোর নজরদারি চলছে। পাশাপাশি যেকোনো দুর্ঘটনা বা যানবাহন বিকল হলে দ্রুত সরিয়ে নিতে একাধিক রেকার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় এবারও ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক রাখতে তারা কাজ করছেন এবং মহাসড়কে বড় ধরনের যানজটের আশঙ্কা নেই।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ঈদুল আজহা ঘিরে উত্তরবঙ্গগামী মানুষের চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ঘরমুখো যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সড়ক ও সেতু এলাকায় যানবাহনের চাপও বেড়েছে। তবে চাপ বাড়লেও এখন পর্যন্ত কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি, স্বাভাবিক গতিতেই চলছে যান চলাচল।
রোববার (২৪ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে টাঙ্গাইল অংশের এলেঙ্গা, রাবনা বাইপাস, নগর জলফৈ ও করটিয়া বাইপাস এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি না থাকলেও চাপ তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গমুখী বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা চোখে পড়ার মতো।
জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঈদ মৌসুমে এ মহাসড়কে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি যানবাহন চলাচল করে। যমুনা সেতু হয়ে উত্তরাঞ্চলের ২৩ জেলার যানবাহন চলাচল করায় এই রুটে চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর ওপর দিয়ে মোট ৩২ হাজার ৬৪৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৯৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯০০ টাকা। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গমুখী যানবাহন ছিল ১৬ হাজার ৭৫৩টি এবং ঢাকামুখী যানবাহন ১৫ হাজার ৮৯৬টি।
সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, ঈদযাত্রার চাপ সামাল দিতে অতিরিক্ত বুথ চালু রাখা হয়েছে। মোট ১৮টি বুথের মাধ্যমে টোল আদায় চলছে, যার মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা চারটি বুথ রয়েছে। যানবাহন বিকল বা দুর্ঘটনা মোকাবিলায় দুই প্রান্তে রেকার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বলেন, চাপ বাড়লেও মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সার্বক্ষণিক কাজ করছে। কোথাও যানজট তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জানান, মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে আট শতাধিক পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। হাইওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও অবৈধ পার্কিং রোধেও কঠোর নজরদারি চলছে। পাশাপাশি যেকোনো দুর্ঘটনা বা যানবাহন বিকল হলে দ্রুত সরিয়ে নিতে একাধিক রেকার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় এবারও ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক রাখতে তারা কাজ করছেন এবং মহাসড়কে বড় ধরনের যানজটের আশঙ্কা নেই।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন